📌 সিরিয়ার জ্বালানি দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে হামা, খান শেইখুন ও মারাত আল-নুমান শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। সরকার ডিজেলের দাম ৪০% এবং পেট্রলের দাম ২৮% বাড়িয়েছে। জ্বালানিমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-বশির জানিয়েছেন, দেশে দৈনিক তেল উৎপাদন ১ লাখ ২০০০ ব্যারেল, কিন্তু চাহিদা ৩ লাখ ২৫ হাজার ব্যারেল
সিরিয়ায় জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীরা তিনটি প্রধান শহরে রাস্তায় নেমে এসেছেন। বিক্ষোভের সময় একটি প্রধান মহাসড়ক অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। সরকারের সিদ্ধান্তে ডিজেলের দাম ৪০ শতাংশ এবং পেট্রলের দাম ২৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। সিরিয়ার জ্বালানিমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-বশির জানিয়েছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংগ্রহের খরচ বৃদ্ধির কারণে এই মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিরিয়ার হামা, খান শেইখুন ও মারাত আল-নুমান শহরে জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলছে
- 📌 সরকার ডিজেলের দাম ৪০ শতাংশ এবং পেট্রলের দাম ২৮ শতাংশ বাড়িয়েছে
- 📌 বানিয়াস শোধনাগার সংস্কারের পর উৎপাদন ক্ষমতা বেড়েছে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল
- 📌 সিরিয়া দৈনিক ১ লাখ ২০০০ ব্যারেল তেল উৎপাদন করে, কিন্তু চাহিদা ৩ লাখ ২৫ হাজার ব্যারেল
- 📌 বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় জড়ো হয়ে টায়ারে আগুন জ্বালিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
সিরিয়া সরকার রোববার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সরকারের দাবি, বৈশ্বিক জ্বালানি সংগ্রহের খরচ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার কারণে এই মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়াও, বানিয়াস শোধনাগারের সংস্কার কাজের কারণে উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। শোধনাগারটি এখন প্রতিদিন ৮০ হাজার ব্যারেল থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে।
বিক্ষোভের সময় আল-জাজিরার প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় জড়ো হয়ে টায়ারে আগুন জ্বালিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিতর্ক চলছে। সিরিয়ার জ্বালানিমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-বশির জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে দৈনিক প্রায় ১ লাখ ২০০০ ব্যারেল তেল উৎপাদিত হয়, কিন্তু দেশের ভেতরে ব্যবহারের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৩ লাখ ২৫ হাজার ব্যারেল তেলের প্রয়োজন। এই ঘাটতি পূরণের জন্য সরকার আমদানির ওপর নির্ভর করছে।
সিরিয়ান আরব নিউজ এজেন্সি (সানা) জানিয়েছে, জ্বালানি মন্ত্রণালয় বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে দাম সমন্বয় করার কাজ চালিয়ে যাবে। তারা দীর্ঘমেয়াদে তেল শোধন ও মজুত করার ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে। দীর্ঘ ১৪ বছরের যুদ্ধের পর সিরিয়া অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে, তাই জ্বালানির সরবরাহ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
"দেশটিতে বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ২০০০ ব্যারেল তেল উৎপাদিত হচ্ছে; কিন্তু দেশের ভেতরে ব্যবহারের জন্য প্রতিদিন প্রয়োজন প্রায় ৩ লাখ ২৫ হাজার ব্যারেল। এই ঘাটতি পূরণের জন্য আমদানির ওপর নির্ভর করছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরিয়ার হামা, খান শেইখুন ও মারাত আল-নুমান শহর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জ্বালানিমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-বশির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ডিজেলের দাম ৪০ শতাংশ, পেট্রলের দাম ২৮ শতাংশ, উৎপাদন ক্ষমতা ১ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!