📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইসরাইলের নির্বাচনে ফিলিস্তিনিদের কী অর্জন? বসতি সম্প্রসারণ ও সহিংসতার বাস্তবতা

ইসরাইলের নির্বাচনে ফিলিস্তিনিদের কী অর্জন? বসতি সম্প্রসারণ ও সহিংসতার বাস্তবতা

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 নয়া দিগন্ত ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসরাইলের নির্বাচনে ফিলিস্তিনিরা দেখেছেন যে, কোনো ইসরাইলি নেতাই বসতি সম্প্রসারণ বন্ধ করতে পারেন না। ১৯৯২-৯৫ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীর সংখ্যা ২৫% বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ২০২৫ সালে ফিলিস্তিনি হতাহতের সংখ্যা সর্বোচ্চ রেকর্ড করা হয়েছে।

ইসরাইলের নির্বাচনে ফিলিস্তিনিরা দেখেছেন যে, কোনো ইসরাইলি নেতাই তাদের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেন না। দশক ধরে তাদের অভিজ্ঞতা থেকে ফিলিস্তিনিরা বুঝতে পেরেছেন যে, সব ইসরাইলি নেতার আসল নীতি একই — বসতি সম্প্রসারণ, জমি দখল এবং সহিংসতা। ১৯৯২ থেকে ১৯৯৫ সালের মধ্যে পূর্ব জেরুসালেম ছাড়া পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীর সংখ্যা ১১১ হাজার ৬৭৩ থেকে বেড়ে ১৪০ হাজার ২৩৫ জনে দাঁড়ায়, যা প্রায় ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯৯২-৯৫ সালে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীর সংখ্যা ১১১ হাজার ৬৭৩ থেকে ১৪০ হাজার ২৩৫ জনে বৃদ্ধি পায় — ২৫ শতাংশের বেশি
  • 📌 লেবার পার্টির প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাকের শাসনামলে প্রথম ছয় মাসে ৩ হাজার ১৯৬টি বসতি স্থাপনের দরপত্র আহবান করা হয়
  • 📌 নাফতালি বেনেটের সরকারের প্রথম বছরে ৭ হাজার ২৯২টি নতুন বাসস্থান অনুমোদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় — আগের নেতানিয়াহু সরকারের চেয়ে ২৬ শতাংশ বেশি
  • 📌 ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ পশ্চিম তীরে ৬৪৫টি ইসরাইলি বসতি ও সামরিক ঘাটি গড়ে উঠেছে
  • 📌 ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত ২৯ হাজার ৩৩৫ দুনাম ফিলিস্তিনি জমি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে
  • 📌 ২০২৫ সালে ইসরাইলি বাহিনী ও উগ্র বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনি ও তাদের সম্পত্তির ওপর ২৩ হাজার ৮২৭টি হামলা চালায়
  • 📌 ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে উগ্র বসতি স্থাপনকারীদের হামলার হার আগের বছরের তুলনায় ৬৩ শতাংশ বৃদ্ধি পায়

📰 বিস্তারিত

ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে আসছেন। তাদের উদ্বেগ ছিল না যে কোনো জায়নবাদী নেতা শান্তি প্রতিষ্ঠা করবেন বা অবৈধ বসতি সরিয়ে দেবেন। বরং তাদের ভয় ছিল যে, কিছু নেতা অন্যদের চেয়ে বেশি বিপজ্জনক ও উগ্র হতে পারেন। তবে সময়ের সাথে সাথে তাদের এই ধারণায় বড় পরিবর্তন এসেছে। তারা বুঝতে পেরেছেন যে, সব ইসরাইলি নেতার আসল রূপ একই। উদাহরণস্বরূপ, অসলো শান্তি চুক্তির সময় তখনকার প্রধানমন্ত্রী আইজাক রাবিনের মেয়াদেও বসতি বিস্তারের প্রবণতা অব্যাহত ছিল।

ফিলিস্তিনি সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ স্ট্যাটিস্টিক্স (পিসিবিএস) এবং ইসরাইলি বসতি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘পিস নাউ’-এর তথ্য অনুযায়ী, বসতি স্থাপনকারীদের সংখ্যা দশকের পর দশক ধরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এহুদ বারাকের শাসনামলে প্রথম ছয় মাসেই ৩ হাজার ১৯৬টি বসতি স্থাপনের দরপত্র আহবান করা হয়। নাফতালি বেনেটের সরকারের প্রথম বছরে ৭ হাজার ২৯২টি নতুন বাসস্থান অনুমোদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, যা আগের নেতানিয়াহু সরকারের বার্ষিক গড়ের চেয়ে ২৬ শতাংশ বেশি।

বসতি গড়তে ফিলিস্তিনি জমি দখল করতে হয়, নিরাপত্তায় বিপুল সৈন্য মোতায়েন করতে হয় এবং তাদের পানি, রাস্তা ও অবকাঠামো জোগাতে গিয়ে কেড়ে নেয়া হয় ফিলিস্তিনিদের মৌলিক সম্পদ। এই পুরো প্রক্রিয়াই ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ করে ইসরাইলি সহিংসতার মাত্রাকে বাড়িয়ে তোলে। ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ পশ্চিম তীরে ৩৫০টি আউটপোস্টসহ মোট ৬৪৫টি ইসরাইলি বসতি ও সামরিক ঘাটি গড়ে উঠেছে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ‘কলোনাইজেশন অ্যান্ড ওয়াল রেজিস্ট্যান্স কমিশন’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের আগস্টের মধ্যে ‘সরকারি জমি’ ঘোষণার অজুহাতে প্রায় ২৯ হাজার ৩৩৫ দুনাম ফিলিস্তিনি জমি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুসালেমে আরো ১৮ হাজার-এর বেশি নতুন বসতি স্থাপনের অনুমোদন বা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। জমির দখলের পাশাপাশি চলছে ভয়াবহ সহিংসতা। জাতিসঙ্ঘের তথ্যমতে, ২০২৩ সাল ছিল পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের জন্য সবচেয়ে প্রাণঘাতী বছর। কেবল ২০২৫ সালে ইসরাইলি বাহিনী ও উগ্র বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনি ও তাদের সম্পত্তির ওপর ২৩ হাজার ৮২৭টি হামলা চালায়। ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে উগ্র বসতি স্থাপনকারীদের হামলার হার আগের বছরের তুলনায় ৬৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

"বসতি গড়তে ফিলিস্তিনি জমি দখল করতে হয়; নিরাপত্তায় বিপুল সৈন্য মোতায়েন করতে হয়; আর তাদের পানি, রাস্তা ও অবকাঠামো জোগাতে গিয়ে কেড়ে নেয়া হয় ফিলিস্তিনিদের মৌলিক সম্পদ। এই পুরো প্রক্রিয়াই ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ করে ইসরাইলি সহিংসতার মাত্রাকে বাড়িয়ে তোলে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুসালেম, ইসরাইল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফিলিস্তিনি বাসিন্দা, প্রধানমন্ত্রী (আইজাক রাবিন, এহুদ বারাক, নাফতালি বেনেট), ইসরাইলি বসতি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘পিস নাউ’
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১১ হাজার ৬৭৩ (বসতি স্থাপনকারীর সংখ্যা), ১৪০ হাজার ২৩৫ (বসতি স্থাপনকারীর সংখ্যা), ২৫ শতাংশ (বৃদ্ধি), ৩ হাজার ১৯৬ (বসতি স্থাপনের দরপত্র), ৭ হাজার ২৯২ (নতুন বাসস্থান অনুমোদন), ৬৪৫ (মোট বসতি ও সামরিক ঘাটি), ২৯ হাজার ৩৩৫ (বাজেয়াপ্ত জমি), ২৩ হাজার ৮২৭ (হামলা), ৬৩ শতাংশ (হামলার হার বৃদ্ধি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖