📌 ভারতের সিপিআই (এমএল) লিবারেশনের পলিটব্যুরো সদস্য কমরেড স্বদেশ ভট্টাচার্যের মৃত্যুতে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি শোক প্রকাশ করেছে। ৮৪ বছর বয়সে বিহারের পাটনায় ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন
ভারতের বিপ্লবী বাম আন্দোলনের একজন প্রখ্যাত নেতা কমরেড স্বদেশ ভট্টাচার্যের মৃত্যুতে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি গভীর শোক প্রকাশ করেছে। ৩১ অক্টোবর শনিবার দলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক একটি বিবৃতিতে এই শোকের প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারতের বিপ্লবী বামপন্থী আন্দোলনে কমরেড স্বদেশ ভট্টাচার্যের মৃত্যু একটি বিরাট শূন্যতা সৃষ্টি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৮৪ বছর বয়সে বিহারের পাটনায় ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে গত রাতে কমরেড স্বদেশ ভট্টাচার্য চিরবিদায় করেছেন
- 📌 চারু মজুমদারের মৃত্যুর পর ১৯৭৪ সালে সিপিআই (এমএল) লিবারেশন পার্টিকে পুনর্গঠনে তিন নেতার মধ্যে তিনি অন্যতম ছিলেন
- 📌 সিপিআই (এমএল) লিবারেশনের সর্বশেষ প্রতিনিধি হিসেবে তিনি বিপ্লবী মতাদর্শের উত্তরাধিকার রেখে গেছেন
- 📌 বর্তমান ভারতের লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় দলটির প্রতিনিধিত্ব রয়েছে
- 📌 বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সপ্তম ও দশম কংগ্রেসে তিনি বাংলাদেশে প্রতিনিধি দলের নেতা ছিলেন
📰 বিস্তারিত
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চারু মজুমদারের মৃত্যুর পর ১৯৭৪ সালে সিপিআই (এমএল) লিবারেশন পার্টিকে নতুন ধারায় শ্রেণি ও গণসংগ্রামের পথে পুনর্গঠনের কাজে তিনজন নেতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাদের মধ্যে কমরেড স্বদেশ ভট্টাচার্য ছিলেন অন্যতম। ওই পুনর্গঠন কমিটির প্রথম সম্পাদক কমরেড জহর হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন এবং পরবর্তী সম্পাদক কমরেড বিনোদ মিশ্র ১৯৯৮ সালে অকালে মৃত্যুবরণ করেন। এই ত্রয়ীর সর্বশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কমরেড স্বদেশ ভট্টাচার্য বিপ্লবী মতাদর্শ এবং শ্রেণি ও গণসংগ্রামের এক অনন্য উত্তরাধিকার রেখে গেছেন।
সাইফুল হক বলেছেন, স্বল্পভাষী ও ব্যতিক্রমী মানবিক গুণাবলীর অধিকারী এই মহান নেতার প্রয়াণে লিবারেশন পার্টিসহ ভারতের বিপ্লবী বামপন্থী আন্দোলন এক অভিভাবকতুল্য ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে। তিনি বলেন, তার বিপ্লবী জীবন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে রাজনৈতিক কর্মীদের অনুপ্রেরণা দেবে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গত পাঁচ দশকে কমরেড স্বদেশ ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে সিপিআই (এমএল) লিবারেশন পার্টি ভারতে বিপ্লবী ধারার অন্যতম পুরোধা সংগঠনে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে ভারতের লোকসভা ও একাধিক রাজ্য বিধানসভায় দলটির প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। এছাড়াও, ভারতের ‘ইন্ডিয়া’ জোটের শরিক হিসেবে দলটি ভোটের অধিকার ও সংবিধান রক্ষার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। চলমান এই গণসংগ্রামের অন্যতম নেত্রী নেহা বোরাও এই পার্টিরই সদস্য।
বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের প্রতি কমরেড স্বদেশ ভট্টাচার্যের গভীর মমতা ও ভালোবাসার কথা স্মরণ করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তিনি বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সপ্তম ও দশম কংগ্রেসে আমন্ত্রিত প্রতিনিধি দলের নেতা হিসেবে বাংলাদেশে এসেছিলেন।
"গত পাঁচ দশকে তার হাত ধরে এই পার্টি ভারতে বিপ্লবী ধারার অন্যতম পুরোধা সংগঠনে পরিণত হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিহারের পাটনা, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কমরেড স্বদেশ ভট্টাচার্য, সাইফুল হক, নেহা বোরাও
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৪ বছর বয়স, ৩১ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!