📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৩৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হরমুজ প্রণালীতে মাইন বিস্ফোরণে চারটি তেলবাহী জাহাজে আগুন: ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের তিক্ত বিতর্ক

হরমুজ প্রণালীতে মাইন বিস্ফোরণে চারটি তেলবাহী জাহাজে আগুন: ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের তিক্ত বিতর্ক

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হরমুজ প্রণালীতে মাইন বিস্ফোরণে চারটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে গেছে বলে ইরান দাবি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী দাবি করেছিলো, তারা মাইনমুক্ত করেছে প্রধান নৌপথ, কিন্তু ইরানের আইআরজিসি তা প্রত্যাখ্যান করেছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহে ইরান একাধিক জাহাজে মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়েছে

হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলরত চারটি তেলবাহী জাহাজে মাইন বিস্ফোরণে আগুন ধরে গেছে বলে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, অনুমোদনহীন দক্ষিণাঞ্চলীয় নৌপথ দিয়ে চলাচলরত তিনটি জাহাজ মাইন বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আগুন ধরে গেছে। এর এক দিন পর আরও একটি জাহাজে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৪টি তেলবাহী জাহাজে আগুন**: হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলরত চারটি জাহাজে মাইন বিস্ফোরণে আগুন ধরে গেছে বলে ইরান দাবি করেছে।
  • 📌 **ইরানের দাবি**: আইআরজিসি জানায়, জাহাজগুলো তাদের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে অনুমোদনহীন পথ দিয়ে চলাচল করেছিল।
  • 📌 **যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া**: যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করে, তারা হরমুজ প্রণালীর প্রধান নৌপথ থেকে সব মাইন অপসারণ করেছে।
  • 📌 **ব্রিটিশ নিরাপত্তা সংস্থার তথ্য**: ইউকেএমটি জানায়, ওমানের খাসাব উপকূল থেকে ২৫ নটিক্যাল মাইল (৪৬ কিলোমিটার) উত্তর-পূর্বে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।
  • 📌 **ড্রোন আটক**: ইরান দাবি করেছে, তাদের নৌবাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউএম-১৭০ ড্রোনটি আটক করেছে।
  • 📌 **হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব**: বিশ্বের মোট তেল ব্যবহারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই নৌপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।

📰 বিস্তারিত

হরমুজ প্রণালীতে মাইন বিস্ফোরণে আগুন ধরে গেছে চারটি তেলবাহী জাহাজে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় অনুমোদনহীন দক্ষিণাঞ্চলীয় নৌপথ দিয়ে হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের চেষ্টা করার সময় তিনটি জাহাজ মাইন বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ইরানের সেনাবাহিনী আরো একটি জাহাজে আগুন লাগার খবর জানায়। তাদের দাবি, হরমুজ প্রণালীর পূর্ব দিকে একটি নিষিদ্ধ এলাকায় চলাচলের সময় জাহাজটি মাইনে আঘাত পেয়েছে।

আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রথম তিনটি জাহাজ তাদের রাডার ও নৌচলাচল-সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি বন্ধ করে দিয়েছিল এবং আইআরজিসির সতর্কবার্তাও উপেক্ষা করেছিল। তবে এসব ঘটনার সময়কাল এবং জাহাজগুলোর পতাকাবাহী দেশ সম্পর্কে তাত্ক্ষণিক তথ্য পাওয়া যায়নি। ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটি জানায়, ওমানের খাসাব উপকূল থেকে প্রায় ২৫ নটিক্যাল মাইল (৪৬ কিলোমিটার) উত্তর-পূর্বে হরমুজ প্রণালীতে একটি জাহাজে আগুন লাগার খবর তারা পেয়েছে। এর আগে একই এলাকায় আরো দু’টি ঘটনার কথা জানিয়েছিল সংস্থাটি, যার মধ্যে একটি ছোট পালতোলা নৌযান আগুন ধরে ডুবে যায় এবং অন্যটি তেলবাহী জাহাজ অজ্ঞাত বস্তু বা অস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল কঠোরভাবে সীমিত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেছে, তারা হরমুজ প্রণালীর প্রধান নৌপথ থেকে সব মাইন অপসারণ করেছে। তবে আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি যুক্তরাষ্ট্রের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘শুধু বিবৃতি দিয়ে নয়, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রমাণ দিয়ে হরমুজ প্রণালী থেকে মাইন অপসারণের দাবি প্রমাণ করুন।’

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান একাধিক জাহাজে মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়েছে। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করেছে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে সহায়তা করছে। রোববার সেন্টকম জানায়, গ্রীষ্মকাল থেকে এ পর্যন্ত তাদের সহায়তায় উপসাগরীয় দেশগুলো হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করে ১৫০ কোটি ব্যারেল তেল রফতানি করেছে। ইরান ওমানের উপকূলঘেঁষা দক্ষিণাঞ্চলীয় নৌপথ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে অনুমোদনহীন বলে বিবেচনা করে। আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘হরমুজ প্রণালীর অনুমোদনহীন নৌপথে মাইন পেতে রাখা হয়েছে। এসব পথে চলাচলের দায় জাহাজের মালিক ও নাবিকদের।’

"শুধু বিবৃতি দিয়ে নয়, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রমাণ দিয়ে হরমুজ প্রণালী থেকে মাইন অপসারণের দাবি প্রমাণ করুন।"

এদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) পৃথক এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, তাদের নৌবাহিনীর ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ইউনিট যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউএম-১৭০ ড্রোনটি আটক করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হরমুজ প্রণালী, ওমানের খাসাব উপকূল, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় নৌপথ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হোসেইন মোহেব্বি (আইআরজিসির মুখপাত্র), ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪টি তেলবাহী জাহাজ, ২৯ অক্টোবর, ২৪ ঘণ্টায়, ২৫ নটিক্যাল মাইল (৪৬ কিলোমিটার), ১৫০ কোটি ব্যারেল তেল, এমকিউএম-১৭০ ড্রোন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖