📌 ইরান সরকার ‘জানফাদা’ কর্মসূচির আওতায় ৩ কোটি স্বেচ্ছাসেবককে অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের আশঙ্কায় দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় তরুণ-তরুণীসহ সব বয়সী মানুষকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ইরানের ৩১টি প্রদেশে এই কর্মসূচি ছড়িয়ে পড়েছে
ইরান সরকার ‘জানফাদা’ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় ৩ কোটি স্বেচ্ছাসেবককে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের সম্ভাব্য আশঙ্কায় এই কর্মসূচি ত্বরান্বিত হচ্ছে। তরুণ-তরুণীসহ সব বয়সী মানুষকে অস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এবং সরকারি সংস্থাগুলো এই কর্মসূচির আওতায় সশস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরান ‘জানফাদা’ কর্মসূচিতে ৩ কোটি স্বেচ্ছাসেবককে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, যাদের মধ্যে নারী ও তরুণ-তরুণীরাও রয়েছে
- 📌 ইরানের ৩১টি প্রদেশে এই কর্মসূচি ছড়িয়ে পড়েছে, তেহরানসহ ১৪টি প্রধান চত্বর প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের আশঙ্কায় সরকার ‘বিপ্লবী মূল্যবোধ রক্ষা’ হিসেবে এই কর্মসূচি ত্বরান্বিত করছে
- 📌 গিলান প্রদেশে সরকারি সমাবেশে উচ্চশব্দ ও সড়ক বন্ধের প্রতিবাদে হাতাহাতি সংঘর্ষ হয়
- 📌 প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদেরকে অস্ত্র ব্যবহারের পাশাপাশি গুলি ভরার ও নিশানা করার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এবং বাসিজ মিলিশিয়া সরকারের উদ্যোগে ‘জানফাদা’ কর্মসূচির আওতায় স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এই কর্মসূচির নাম ‘জানফাদা’ যার অর্থ ‘যাঁরা জীবন উৎসর্গ করেন’। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের সম্ভাব্য আশঙ্কায় এই কর্মসূচি গত মার্চের শেষ দিকে শুরু হয়। বর্তমানে ইরানের ৩১টি প্রদেশে এই কর্মসূচি ছড়িয়ে পড়েছে।
বাসিজের প্রশিক্ষণবিষয়ক উপপ্রধান আলী কাউসারি জানান, তেহরানের অন্তত ১৪টি প্রধান চত্বরকে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রতিটি প্রদেশের রাজধানীতে এক থেকে তিনটি চত্বর ব্যবহারের লক্ষ্য রয়েছে। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদেরকে অস্ত্র ব্যবহারের পাশাপাশি গুলি ভরার, পিস্তল ও রাইফেল ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণকারীরা বলেন, ‘তাজা গুলি নিয়ে আসে এবং কীভাবে ম্যাগাজিনে গুলি ভরতে হয়, তা শেখায়’।
গিলান প্রদেশের বাসিন্দারা জানান, সড়কে নিয়মিত সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র দেখা যায়। প্রশিক্ষণকারীরা বেশিরভাগই বয়স্ক পুরুষ। যুদ্ধের সম্ভাব্য আশঙ্কায় প্রতিদিন রাতে তারা প্রধান চত্বরে জড়ো হন। সেখানে বিপ্লবী গান বাজানো হয় এবং লাউডস্পিকারে স্লোগান দেওয়া হয়। তবে ১৫ অক্টোবর গিলান প্রদেশের রাশত শহরে একটি সমাবেশে উচ্চশব্দ ও সড়ক বন্ধের প্রতিবাদে হাতাহাতি সংঘর্ষ হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, এই সংঘর্ষে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়।
ইরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় কুর্দিস্তান প্রদেশে বড় ধরনের গণসংগঠিতকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচিতে শিয়া ও সুন্নি মুসলিমদের মধ্যে ‘ঐক্যের’ মহড়া হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদেরকে বলা হয়, ‘বিপ্লব হলো সাইকেল চালানোর মতো’।
"প্রতিটি প্রদেশের রাজধানীতে অন্তত এক থেকে তিনটি চত্বর ব্যবহারের লক্ষ্য রয়েছে। তবে বর্তমানে কতটি শহরে এই কর্মসূচি চলছে, তা জানাননি আলী কাউসারি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইরান (তেহরান, ইসফাহান, মাশহাদ, বোজনুর্দ, শিরাজ, কেরমান, গিলান প্রদেশ, কুর্দিস্তান প্রদেশ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলী কাউসারি (বাসিজের প্রশিক্ষণবিষয়ক উপপ্রধান), ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ কোটি স্বেচ্ছাসেবক, ৩১টি প্রদেশ, ১৪টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ১৫ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!