📌 মানিকগঞ্জের দীঘি ইউনিয়নের ভাটবাউর গ্রামে এক পরিবারে আট ভাই-বোনের মধ্যে চারজন প্রতিবন্ধী। তাদের মধ্যে দুজন বোন দাঁড়াতে পারেন না, অন্য দুইজন ভাই কিছুটা হাঁটতে পারলেও সব কাজ অন্যের সহায়তায় করতে হয়। বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা না থাকায় তাদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে
মানিকগঞ্জের দীঘি ইউনিয়নের ভাটবাউর গ্রামে এক পরিবারে আট ভাই-বোনের মধ্যে চারজন প্রতিবন্ধী। প্রতিবন্ধী দুই ভাই কিছুটা হাঁটাচলা করতে পারলেও প্রতিবন্ধী দুই বোন দাঁড়াতে পারেন না। বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা না থাকায় তাদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। এই পরিবারের বাবা হযরত আলী বিআইডব্লিউটিসির একজন কর্মচারী ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দীঘি ইউনিয়নের ভাটবাউর গ্রামে মৃত হযরত আলী ও জহুরা বেগমের আট সন্তানের মধ্যে চারজন প্রতিবন্ধী
- 📌 প্রতিবন্ধী চারজন: মোছা. হাবিয়া (৬৪), মোছা. মেহেরজান (৫৮), ইজ্জত আলী (৫২) ও সিরাজ আলী (৪৮)
- 📌 প্রতিবন্ধী দুই বোন দাঁড়াতে পারেন না, অন্য দুই ভাই কিছুটা হাঁটতে পারলেও সব কাজ অন্যের সহায়তায় করতে হয়
- 📌 বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা না থাকায় তাদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে
📰 বিস্তারিত
মানিকগঞ্জের দীঘি ইউনিয়নের ভাটবাউর গ্রামের এক পরিবারে আট ভাই-বোনের মধ্যে চারজন প্রতিবন্ধী। এই পরিবারের বাবা হযরত আলী বিআইডব্লিউটিসির একজন কর্মচারী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে প্রতিবন্ধী চারজন হলেন মোছা. হাবিয়া (৬৪), মোছা. মেহেরজান (৫৮), ইজ্জত আলী (৫২) ও সিরাজ আলী (৪৮)। প্রতিবন্ধী দুই ভাই কিছুটা হাঁটাচলা করতে পারলেও প্রতিবন্ধী দুই বোন দাঁড়াতে পারেন না। পরিবারের অন্য চার সন্তান হলেন ছবিয়া বেগম (৬১), আফেলা বেগম (৫৫), লিটন মিয়া (৪৬) ও দাপালি বেগম (৪২)।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, প্রতিবন্ধী চারজনের খাওয়াদাওয়া ও দৈনন্দিন কাজ সবই করতে হয় অন্যের সহযোগিতায়। বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা না থাকায় তাদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
"আমাদের বাড়িতে যাতায়াতের কোনো রাস্তা নেই। প্রতিবন্ধী সদস্যদের জন্য এটা আরো কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা, দীঘি ইউনিয়ন, ভাটবাউর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হযরত আলী (বাবা), মোছা. হাবিয়া, মোছা. মেহেরজান, ইজ্জত আলী, সিরাজ আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৪, ৫৮, ৫২, ৪৮ (প্রতিবন্ধী সদস্যদের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!