📌 ২০১৬ সালে যশোরের চৌগাছায় ছাত্রশিবির নেতা ইসরাফিল হোসেন ও রুহুল আমিনের পায়ে গুলির ঘটনায় পুলিশ সদস্য সিরাজুল ইসলামের জবানবন্দি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপিত হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে নেতাদের থানায় নিয়ে যাওয়ার পূর্বের ঘটনা এবং পরবর্তীতে গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিবরণ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১–এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন পুলিশ সদস্য মো. সিরাজুল ইসলাম। তিনি তাঁর জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট চৌগাছার নারায়ণপুরে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে থামিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানায় সহকারী উপপরিদর্শক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট চৌগাছার নারায়ণপুরে ছাত্রশিবির নেতা ইসরাফিল হোসেন ও রুহুল আমিনকে থামিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়
- 📌 নেতাদের সঙ্গে থাকা শপিং ব্যাগে ছাত্রশিবিরের চাঁদা আদায়ের রশিদ ও রেজিস্টার পাওয়া যায়
- 📌 নেতাদের পরিচয় জানতে পেরে থানায় নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন তৎকালীন ওসি
- 📌 ৫ আগস্ট থানায় এসে জানতে পারেন নেতাদের ৪ আগস্ট পায়ে গুলি করা হয়েছে
- 📌 গুলির ঘটনায় কনস্টেবল সাজ্জাদ ও কনস্টেবল জহিরুল জড়িত বলে জানান সিরাজুল ইসলাম
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১–এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন পুলিশ সদস্য মো. সিরাজুল ইসলাম। তিনি তাঁর জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে সাড়ে চারটার মধ্যে চৌগাছা থানাধীন নারায়ণপুর ফাঁকা রাস্তায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় এএসআই সিরাজুল ইসলাম, এসআই মুখলেছুজ জামান, এসআই আকিক, এএসআই মাজেদসহ অন্যান্য সদস্যরা চেকপোস্ট বসান।
ওই সময় একটি মোটরসাইকেলে দুই ব্যক্তিকে থামানো হয়। তাঁদের সঙ্গে থাকা শপিং ব্যাগে ছাত্রশিবিরের চাঁদা আদায়ের রশিদ ও রেজিস্টার দেখতে পান পুলিশ সদস্যরা। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা নিজেদের ইসরাফিল হোসেন ও রুহুল আমিন বলে পরিচয় দেন। তৎকালীন ওসির সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে তাঁদের থানায় নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে তাঁদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
সিরাজুল ইসলাম আরও জানান, ২০১৬ সালের ৫ আগস্ট সকালে থানায় এসে তিনি জানতে পারেন, গ্রেপ্তার করে আনা ইসরাফিল হোসেন ও রুহুল আমিনকে ৪ আগস্ট চৌগাছার বন্দুলিতলায় পায়ে গুলি করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, গুলির ঘটনায় কনস্টেবল সাজ্জাদ ও কনস্টেবল জহিরুল জড়িত ছিলেন।
"২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের মার্চ পর্যন্ত আমি চৌগাছা থানায় এএসআই হিসেবে কর্মরত ছিলাম। ওই সময় পরিচালিত অভিযানে নেতাদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে তাঁদের পায়ে গুলি করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চৌগাছা, যশোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সিরাজুল ইসলাম (এএসআই), ইসরাফিল হোসেন, রুহুল আমিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ আগস্ট, ৪ আগস্ট, ৫ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!