📌 কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলার চোঁয়ার ফাঁড়িতে প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত ২৪টি আড়তের মাধ্যমে ৫ কোটি টাকার মাছ বিক্রি হয়। দেশের বিভিন্ন এলাকার ক্রেতারা তাজা মাছের জন্য এখানে আসেন এবং জেলেরা সরাসরি বিক্রি করেন
কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলার চোঁয়ার ফাঁড়ি মাছের বাজার প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত চলমান একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এই ৩ ঘণ্টার মাছের বাজারে প্রতিদিন ৫ কোটি টাকার মাছ বিক্রি হয়। দেশের বিভিন্ন এলাকার পাইকার ও ক্রেতারা এখানে তাজা মাছের জন্য ভিড় করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **চোঁয়ার ফাঁড়ি মাছের বাজার** কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলায় অবস্থিত, যেখানে প্রতিদিন **৫ কোটি টাকার মাছ** বিক্রি হয়।
- 📌 বাজার **সকাল ৬টা থেকে ৯টা** পর্যন্ত চলমান, যেখানে **২৪টি আড়ত** মাছ বিক্রি করে। প্রতিটি আড়ত থেকে গড়ে **২০ লাখ টাকার মাছ** বিক্রি হয়।
- 📌 **চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারসহ** দেশের বিভিন্ন এলাকার পাইকার ও ক্রেতারা এখানে মাছ কিনতে আসেন।
- 📌 বাজারে **তাজা মাছের** প্রচুর চাহিদা রয়েছে, যেখানে বরফ দেওয়া হয় না।
- 📌 **২৫০ জনেরও বেশি** কর্মসংস্থান রয়েছে এই বাজারে, যার মধ্যে ১০০ জন আড়তদার ও ১৫০ জন কর্মচারী।
📰 বিস্তারিত
কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলার চোঁয়ার ফাঁড়ি মাছের বাজার দেশের অন্যতম বৃহত্তম মাছের বাজার। প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে শুরু করে ৯টা পর্যন্ত এই বাজারে মাছের বাণিজ্য চলমান থাকে। বাজারে **২৪টি আড়ত** রয়েছে, যেখানে প্রতিটি আড়ত থেকে গড়ে **২০ লাখ টাকার মাছ** বিক্রি হয়। এর বাইরে স্থানীয় জেলেরা আলাদা বসে মাছ বিক্রি করে, যা প্রতিদিন **২০ লাখ টাকারও বেশি** বিক্রি হয়। এভাবে **৩ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ৫ কোটি টাকার মাছ** বিক্রি হয়।
বাজারে আসা ক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার পাইকার ও শৌখিন ক্রেতা। তারা এখানে **তাজা মাছ** কিনতে আসেন। বাজারে পাওয়া যায় ইলিশ, কোরাল, বাটা, ট্যাংরা, বাগদা, গলদা, চিংড়ি, দাতিনা, পাঙাশ, রুই, কাতলা, পাবদা, নাইলোটিকা, মৃগেলসহ বিভিন্ন ধরনের মাছ। বেশিরভাগ মাছে বরফ দেওয়া হয় না, যা ক্রেতাদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় করে তোলে।
বাজারের আড়তদারদের একজন **শাহেদুল ইসলাম (৬০)** জানান, তাঁর জন্মের আগে থেকেই এই বাজারটি মাছ বিক্রির জন্য পরিচিত। তিনি বলেন, “মহেশখালী, চকরিয়া, মাতামুহুরী ও পেকুয়ার এলাকার জেলেরা এখানে মাছ নিয়ে আসেন। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পাইকার ব্যবসায়ীরাও এখান থেকে মাছ কিনে নিয়ে যান।” বাজারে কর্মরত আড়তদারদের মধ্যে **১০০ জনেরও বেশি** আড়তদার রয়েছে, যাদের পাশাপাশি **১৫০ জন কর্মচারী** কাজ করেন।
"টাটকা মাছের খোঁজে এ বাজারে এসেছি। শত শত মণ মাছের মধ্য থেকে নিজের চাহিদামতো মাছ বেছে নিয়েছি। চট্টগ্রাম শহরে চারটি ইলিশ কিনলে অন্তত সাত হাজার টাকা লাগত। এটি এখানে চার হাজার টাকায় পেয়েছি। মাছে বরফও তেমন দেওয়া হয়নি।"
— **স্কুলশিক্ষক নুরুল কবির**
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চোঁয়ার ফাঁড়ি, মাতামুহুরী উপজেলা, কক্সবাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নুরুল কবির (স্কুলশিক্ষক), শাহেদুল ইসলাম (আড়তদার), আইনজীবী সাইফুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ কোটি টাকা (দৈনিক বিক্রি), ২৪টি আড়ত, ৩ ঘণ্টা (বাজার সময়), ২৫০ জন কর্মসংস্থান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!