📌 যশোরের অভয়নগরে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে পালানোর পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জুলিয়া আফরিন ও দপ্তরি মোস্তাফিজুর রহমানকে পলাতক শিক্ষককে পালাতে সাহায্য করার অভিযোগে পুলিশ আটক করেছে। পলাতক শিক্ষক ইমরান হোসেন এখনও গ্রেপ্তার না হওয়ায় পুলিশের অনুসন্ধান চলছে
যশোরের অভয়নগরে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে পালানোর পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও দপ্তরি পলাতক শিক্ষককে পালাতে সাহায্য করার অভিযোগে পুলিশ আটক করেছে। ঘটনাটি ঘটে গত ২৬ অক্টোবর। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগীর পরিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং অভিযোগ দায়ের করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যশোরের অভয়নগরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইমরান হোসেন এক ছাত্রীকে বাথরুমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান।
- 📌 ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগীর বাবা অভয়নগর থানায় মামলা দায়ের করেন।
- 📌 ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জুলিয়া আফরিন ও দপ্তরি মোস্তাফিজুর রহমানকে পলাতক শিক্ষককে পালাতে সাহায্য করার অভিযোগে আটক করা হয়।
- 📌 পুলিশের তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে কোনো কথা বলতে বাধা দিয়েছিলেন।
- 📌 পলাতক শিক্ষক ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অনুসন্ধান চলছে।
📰 বিস্তারিত
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় অভয়নগর থানার কর্মকর্তারা নওয়াপাড়া বাজার এলাকায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জুলিয়া আফরিন ও দপ্তরি মোস্তাফিজুর রহমানকে আটক করেন। অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) শেখ লুৎফর রহমান জানান, ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্কুল চলাকালে। এক ছাত্রী বাথরুমে গেলে সহকারী শিক্ষক ইমরান হোসেন তাকে ধর্ষণ করেন এবং ভয় দেখিয়ে কোনো কথা বলতে বাধা দেন। ঘটনার পরদিন ছাত্রী স্কুলে যেতে অস্বীকৃতি জানালে তার পরিবার ঘটনাটি জানতে পারেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ওসি (তদন্ত) শেখ লুৎফর রহমান বলেন, ‘ভুক্তভোগীর পরিবার ঘটনার পরপরই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জুলিয়া আফরিনকে লিখিত ও মৌখিকভাবে অবহিত করেছিলেন। কিন্তু তিনি কোনো আইনগত পদক্ষেপ না নিয়ে দপ্তরি মোস্তাফিজুর রহমানের সহায়তায় অভিযুক্ত শিক্ষককে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেন।’
ওসি তদন্ত আরও জানান, আটককৃত দুজনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করার আইনি প্রক্রিয়া চলছে। পলাতক শিক্ষক ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
"ভুক্তভোগীর পরিবার ঘটনার পরপরই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জুলিয়া আফরিনকে লিখিত ও মৌখিকভাবে অবহিত করেছিলেন। কিন্তু তিনি কোনো আইনগত পদক্ষেপ না নিয়ে দপ্তরি মোস্তাফিজুর রহমানের সহায়তায় অভিযুক্ত শিক্ষককে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: অভয়নগর, যশোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জুলিয়া আফরিন, মোস্তাফিজুর রহমান, ইমরান হোসেন, শেখ লুৎফর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!