📅 ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড, চার আসামিকে খালাস

যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড, চার আসামিকে খালাস

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ দুলাল হোসেনকে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী শারমিনকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তার চারজন সহ-আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামী দুলাল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে। বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমানের রায় অনুযায়ী, দুলালের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করা হয়েছে। তবে তার চারজন সহ-আসামিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দুলাল হোসেনকে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী শারমিনকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে
  • 📌 অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দুলালের ভাই হারুন, ভাবি মোরশেনা, বোন সুমাইয়া ও বোনজামাই রাজুর বিরুদ্ধে মামলা খালাস পেয়েছে
  • 📌 দুলালের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
  • 📌 ২০১৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টায় শারমিনের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল
  • 📌 শারমিনের শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন

📰 বিস্তারিত

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. এরশাদ আলম (জর্জ) জানান, দুলাল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের রায় অনুযায়ী, দুলালের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দেওয়ার জন্য ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা কালেক্টরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০১ সালে দুলালের সঙ্গে শারমিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে অন্য আসামিদের কুপরামর্শ ও প্ররোচনায় দুলাল শারমিনের পরিবারের কাছে দুই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে তাকে মারধর করতেন। ২০১৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শারমিনকে মারধর করা হয়। পরে শারমিন তার মাকে জানান, আসামিরা তার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

খবর পেয়ে শারমিনের মা মোসা. মোমেলা হাসপাতালে গিয়ে মেয়েকে মুমূর্ষু অবস্থায় দেখতে পান। চিকিৎসকদের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, শারমিনের শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০ সেপ্টেম্বর শারমিনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শারমিনের মা মোমেলা কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় দুলালের মা জরিনা বেগমসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

"মামলার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। দুলালের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।"

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. এরশাদ আলম (জর্জ) বলেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪), কেরানীগঞ্জ মডেল থানা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দুলাল হোসেন, শারমিন, মোসা. মোমেলা, আইনজীবী মো. এরশাদ আলম (জর্জ), বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০১ (বিয়ের বছর), ১৭ (সেপ্টেম্বর), ৯ (টা), ৮৫ (শতাংশ), ৩০ (সেপ্টেম্বর), ৩১ (জানুয়ারি), ২ (লাখ টাকা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖