📌 হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ ২২টি মৃত্যুদণ্ড মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করেছে। নারী ও শিশু সহিংসতার ঘটনাগুলোতে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গঠিত এই বেঞ্চে স্ত্রী হত্যা, ধর্ষণ ও হত্যা মামলাসহ গুরুতর ফৌজদারি মামলাগুলো নিষ্পত্তি হয়েছে
হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ ২২টি মৃত্যুদণ্ড মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করেছে। নারী ও শিশু সহিংসতার ঘটনাগুলোতে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গঠিত এই বেঞ্চে স্ত্রী হত্যা, শরীয়তপুরের স্কুলছাত্রী রিমা ধর্ষণ ও হত্যা, পিরোজপুরের ঝর্ণা হত্যা এবং ফেনীর নুসরাত হত্যা মামলাসহ গুরুতর ফৌজদারি মামলাগুলো নিষ্পত্তি হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ ২২টি মৃত্যুদণ্ড মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করেছে, যার মধ্যে স্ত্রী হত্যা, ধর্ষণ ও হত্যা মামলাসহ গুরুতর ফৌজদারি মামলা অন্তর্ভুক্ত
- 📌 বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়েছিল নারী ও শিশু সহিংসতার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন ও আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে
- 📌 বিশেষ বেঞ্চের প্রধান বিচারপতি ছিলেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী, যিনি এই বেঞ্চ গঠন করেন। বেঞ্চের অন্যান্য বিচারপতি ছিলেন ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা
- 📌 সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে
- 📌 মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে হাইকোর্টের অনুমোদন প্রয়োজন, যা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারায় উল্লেখিত
📰 বিস্তারিত
হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চের গঠন করা হয়েছিল নারী ও শিশু সহিংসতার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন ও আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে। এই বেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। বেঞ্চের অন্যান্য সদস্য ছিলেন বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা। এই বেঞ্চের মাধ্যমে ২২টি মৃত্যুদণ্ড মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে স্ত্রী হত্যা, শরীয়তপুরের স্কুলছাত্রী রিমা ধর্ষণ ও হত্যা, পিরোজপুরের ঝর্ণা হত্যা এবং ফেনীর নুসরাত হত্যা মামলাসহ অন্যান্য গুরুতর ফৌজদারি মামলা।
সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশেষ বেঞ্চ গঠনের পর থেকে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন গুরুতর ফৌজদারি মামলাগুলো নিষ্পত্তিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোনো বিচারিক আদালত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলে তা কার্যকর করার আগে হাইকোর্টের অনুমোদন প্রয়োজন। মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য বিচারিক আদালতের রায়সহ মামলার প্রয়োজনীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ডেথ রেফারেন্সের পাশাপাশি দণ্ডিত আসামির আপিল বা জেল আপিলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট এ বিষয়ে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করে।
"বিশেষ বেঞ্চ গঠনের পর ২২টি ডেথ রেফারেন্স মামলা নিষ্পত্তির মাধ্যমে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন গুরুতর ফৌজদারি মামলাগুলো নিষ্পত্তিতেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হাইকোর্ট, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী, বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা, কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২টি মৃত্যুদণ্ড মামলা, ৩৭৪ ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!