📅 ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দুদক তদন্তে আসিফ আমলের যুব-ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নথি পাওয়ার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকার অর্থ পাচার অভিযোগ উঠে

দুদক তদন্তে আসিফ আমলের যুব-ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নথি পাওয়ার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকার অর্থ পাচার অভিযোগ উঠে

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দুদকের তদন্তে আসিফ আমলের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ-পদোন্নতি নথিপত্র পৌঁছেছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নিয়োগে ঘুষ, অর্থ পাচারসহ ১১ হাজার কোটি টাকার অভিযোগ উঠেছে। দুদক তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে

দুদক তদন্তে আসিফ আমলের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ-পদোন্নতি নথিপত্র পৌঁছেছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নিয়োগে ঘুষ, নিয়োগ-পদায়ন বাণিজ্য, অর্থ পাচারসহ বিশ্বের পাঁচ দেশে ১১ হাজার কোটি টাকার অভিযোগ উঠেছে। দুদকের তদন্তে এসব তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আসিফ আমলের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ-পদোন্নতি নথিপত্র দুদকে পৌঁছেছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর তলব করা নথিপত্রের অধিকাংশ পাওয়ার পর দুদক যাচাই-বাছাই করবে।
  • 📌 আসিফ আমলের বিরুদ্ধে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ঘুষ, নিয়োগ-পদায়ন বাণিজ্য ও অর্থ পাচারের অভিযোগে দুদক তদন্ত শুরু করেছে।
  • 📌 অভিযোগে বিশ্বের পাঁচ দেশে (দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ড, পর্তুগাল) ১১ হাজার কোটি টাকার অর্থ পাচারের কথা বলা হয়েছে।
  • 📌 দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ টিম তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
  • 📌 অভিযোগে উল্লেখিত যে, আসিফ আমল তার দুই বোন জামাই ও ভাগিনেকে মাধ্যমে হিসেবে ব্যবহার করে অর্থ পাচার করেছে।

📰 বিস্তারিত

দুদকের তদন্তে আসিফ আমলের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ-পদোন্নতি নথিপত্র পৌঁছেছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর দুদক নথিপত্র তলব করে চিঠি পাঠানোর পর মন্ত্রণালয় থেকে এসব কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুদকের একজন কর্মকর্তা জানান, অনুসন্ধানের স্বার্থে নথিপত্র তলব করা হয়েছিল। অধিকাংশ নথি এসেছে এবং দুদক যাচাই-বাছাই করবে। প্রয়োজনে প্রত্যেক কর্মকর্তার ব্যাংক ও আর্থিক লেনদেনের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে।

দুদকের তদন্তে আসিফ আমলের বিরুদ্ধে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ঘুষ, নিয়োগ-পদায়ন বাণিজ্য ও অর্থ পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগে প্রায় ৬০ কোটি টাকা এবং ৩৬ জন জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদায়নে ২ থেকে ১০ কোটি টাকা করে লেনদেনের অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, আসিফ আমল তার দুই বোন জামাই ও ভাগিনেকে মাধ্যমে হিসেবে ব্যবহার করে বিশ্বের পাঁচ দেশে ১১ হাজার কোটি টাকার অর্থ পাচার করেছে। দুবাইতে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাঠিয়ে সেখানে বিলাসবহুল ভিলা ক্রয় ও ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরে ৩ হাজার কোটি টাকা, অস্ট্রেলিয়ায় ২ হাজার কোটি টাকা এবং সুইজারল্যান্ডে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও পর্তুগালে জমি ক্রয় করার অভিযোগ উঠেছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ জানান, আসিফ আমলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। নতুন অভিযোগগুলোর বিষয়েও কমিশন যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

"অনুসন্ধানের স্বার্থে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নথিপত্র তলব করা হয়েছিল। অধিকাংশ নথি এসেছে। দুদক যাচাই-বাছাই করবে এবং আইন ও বিধি ব্যতয় ঘটেছিল কিনা দেখবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, দুবাই, সুইজারল্যান্ড, পর্তুগাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসিফ আমল (আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া), মো. জাহিদ কালাম, তানজির আহমেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ হাজার কোটি টাকা (অর্থ পাচার), ৬০ কোটি টাকা (ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ঘুষ), ২-১০ কোটি টাকা (জেলা প্রশাসক পদায়ন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖