📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গায়ক অন্তুর বিরুদ্ধে ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী জান্নাতুন তাজরি অরার মিথ্যা যৌন নির্যাতন মামলায় পুলিশের চূড়ান্ত তদন্তে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পুলিশ অভিযোগের পক্ষে কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ না পেয়ে অন্তুকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করেছে এবং বাদীকে মিথ্যা মামলা দায়েরের জন্য আইনি ব্যবস্থা চেয়েছে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গায়ক অন্তুর বিরুদ্ধে ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী জান্নাতুন তাজরি অরার মিথ্যা যৌন নির্যাতন মামলায় পুলিশের চূড়ান্ত তদন্তে কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। গত ৩১ জুলাই পুলিশ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে অন্তুকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে বাদী জান্নাতুন তাজরি অরার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের জন্য আইনি ব্যবস্থা চেয়েছে পুলিশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গায়ক অন্তুর বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মামলা দায়েরকারী জান্নাতুন তাজরি অরা কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি
- 📌 পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং মামলাটি সাজানো ছিল প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের প্রতিশোধ হিসেবে
- 📌 গুলশান থানার সাব-ইন্সপেক্টর কে. এম. রাশিদুর রহমানের নেতৃত্বে তদন্তে জান্নাতুন অরার মোবাইল ফোনে কল ডিটেইলস, ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ এবং সাক্ষীদের বক্তব্য সংগ্রহ করা হলেও অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি
- 📌 কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে বাদীর শারীরিক পরীক্ষায় কোনো আঘাত বা নির্যাতনের লক্ষণ পাওয়া যায়নি
- 📌 পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জান্নাতুন তাজরি অরা সামাজিকভাবে অন্তুকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে এই মামলা দায়ের করেছিলেন
- 📌 অন্তুর বিরুদ্ধে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হলেও বাদী জান্নাতুন তাজরি অরার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের জন্য আইনি ব্যবস্থা চেয়েছে পুলিশ
📰 বিস্তারিত
গত ২০২৫ সালে টিএসসিতে গিটার শেখার মাধ্যমে পরিচিত হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গায়ক অন্তুর (আবু জাহিদ ওরফে) এবং ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী জান্নাতুন তাজরি অরার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। জান্নাতুন তাজরি অরা অভিযোগ করেন, গত ২ মে বিকেলে গুলশানের অন্তুর বাসায় পণ্যের ফটোশুটের কথা বলে ডেকে নিয়ে তাকে যৌন নির্যাতন ও শারীরিকভাবে আঘাত করা হয়। তবে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, জান্নাতুন তাজরি অরা অন্তুর প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর সামাজিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে এই মামলা দায়ের করেছিলেন।
তদন্তে জানা যায়, জান্নাতুন তাজরি অরা অন্তুর প্রেমের প্রস্তাব দিলে তিনি রাজি হননি। এরপর দুজনের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। পরে হঠাৎ একদিন অন্তুর গুলশানের বাসার স্টুডিওতে পণ্যের ফটোশুটের প্রস্তাব দিলে অরা রাজি হন। ২ মে সকালে সেখানে গিয়ে অন্তুকে পাননি তিনি। একই দিন বিকেলে দুজনের দেখা হয়। পরে বাসার অফিসরুমে বসার সময় অন্তুর ফোনে কল এলে অরা ফোন রিসিভ করে নিজেকে তার স্ত্রী বলে দাবি করেন। বিষয়টি জানতে পেরে অন্তু জানতে চান, কেন এমন মিথ্যাচার করেছেন। ঘটনাস্থলে মামলার সাক্ষীরাও উপস্থিত ছিলেন। এই ঘটনার জের ধরেই অন্তুর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও নির্যাতনের অভিযোগ এনে মামলা করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা কে. এম. রাশিদুর রহমান বলেন, তিনি তদন্ত করে অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রমাণ পাননি। চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছেন, এখন পরবর্তী সিদ্ধান্ত আদালতের। পুলিশের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাদী জান্নাতুন অরা কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। অভিযুক্ত ও বাদীর মোবাইল ফোনের কল ডিটেইলস রেকর্ড (সিডিআর), ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ এবং নিরপেক্ষ সাক্ষীদের বক্তব্য সংগ্রহ করা হলেও অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে বাদীর শারীরিক পরীক্ষা করানো হলে চিকিৎসকের প্রতিবেদনে কোনো আঘাত বা নির্যাতনের আলামত পাওয়া যায়নি।
"মিথ্যা মামলার কারণে সামাজিকভাবে আমার সম্মানের ক্ষতি হয়েছে। ব্যবসায়িকভাবেও চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। কিন্তু যে ক্ষতিটা হয়ে গেল, কোনো কিছু ভালোভাবে যাচাই-বাছাই না করেই আমাকে গ্রেফতার করা হলো, সেই ক্ষতির দায় কে নেবে?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (গুলশান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন মহিলা কলেজ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু জাহিদ অন্তু (গায়ক), জান্নাতুন তাজরি অরা (ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী), সাব-ইন্সপেক্টর কে. এম. রাশিদুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ মে (২০২৬), ৩১ মে (২০২৬), ১০ ধারা, ৩১ জুলাই (২০২৬), ১৭ ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!