📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাবি শিক্ষার্থী ও গায়ক অন্তুর বিরুদ্ধে মিথ্যা যৌন নির্যাতন মামলা: পুলিশের তদন্তে প্রমাণহীনতা প্রকাশিত

ঢাবি শিক্ষার্থী ও গায়ক অন্তুর বিরুদ্ধে মিথ্যা যৌন নির্যাতন মামলা: পুলিশের তদন্তে প্রমাণহীনতা প্রকাশিত

📷 ছবি: Jamuna TV

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গায়ক আবু জাহিদ অন্তুর বিরুদ্ধে ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী জান্নাতুন তাজরি অরার মিথ্যা যৌন নির্যাতন মামলায় পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পুলিশ অভিযোগকে সাজানো মামলা হিসেবে চিহ্নিত করে অন্তুর মামলা থেকে অব্যাহতি দাবি করেছে এবং বাদীকে আইনি ব্যবস্থার জন্য আদালতে আবেদন করেছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গায়ক আবু জাহিদ অন্তুর বিরুদ্ধে ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী জান্নাতুন তাজরি অরার মিথ্যা যৌন নির্যাতন মামলায় পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। গত ৩১ জুলাই গুলশান থানার পুলিশ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে অন্তুর মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করেছে। পাশাপাশি বাদী জান্নাতুন তাজরি অরার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেছে পুলিশ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৫ সালে টিএসসিতে গিটার শেখার মাধ্যমে পরিচিত হন আবু জাহিদ অন্তু ও জান্নাতুন তাজরি অরা, কিন্তু পরবর্তীতে তাদের সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
  • 📌 ২ মে বিকেলে গুলশানের অন্তুর বাসায় গিয়ে জান্নাতুন অরা ফোনে কল করে নিজেকে তার স্ত্রী বলে মিথ্যাচার করেন, যা ঘটনার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
  • 📌 গত ৩১ মে জান্নাতুন তাজরি অরা ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০’-এর ১০ ধারায় যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন, কিন্তু পুলিশের তদন্তে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
  • 📌 কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে বাদীর শারীরিক পরীক্ষা করে চিকিৎসক কোনো আঘাত বা নির্যাতনের প্রমাণ খুঁজে পাননি।
  • 📌 গত ৩১ জুলাই পুলিশ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে অন্তুর মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করে এবং বাদী জান্নাতুন তাজরি অরার বিরুদ্ধে ১৭ ধারায় মিথ্যা মামলা দায়েরের জন্য প্রসিকিউশন দাবি করেছে।
  • 📌 সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) কে. এম. রাশিদুর রহমান তদন্তের সময় জান্নাতুন অরার কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করতে না পারার কথা উল্লেখ করেছেন।

📰 বিস্তারিত

পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, জান্নাতুন তাজরি অরা জাহিদ অন্তুকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে তিনি রাজি হননি। এরপর দুজনের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। পরে হঠাৎ একদিন অন্তুর গুলশানের বাসার স্টুডিওতে পণ্যের ফটোশুটের প্রস্তাব দিলে অরা রাজি হন। ২ মে সকালে সেখানে গিয়ে অন্তুকে পাননি তিনি। একই দিন বিকেলে দুজনের দেখা হয়। পরে বাসার অফিসরুমে বসার সময় মোবাইল ফোন চার্জে রেখে বাসার নিচে যান অন্তু। এ সময় অন্তুর ফোনে কল এলে অরা ফোন রিসিভ করে নিজেকে তার স্ত্রী বলে দাবি করেন। বিষয়টি জানতে পেরে অন্তু জিজ্ঞাসা করেন যে, কেন এমন মিথ্যাচার করেছেন। ঘটনাস্থলে মামলার সাক্ষীরাও উপস্থিত ছিলেন। এই ঘটনার জের ধরেই অন্তুর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও নির্যাতনের অভিযোগ এনে মামলা করা হয়।

তদন্তকালে বাদী জান্নাতুন অরা কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। পুলিশ বিবাদী ও বাদীর মোবাইল ফোনের কল ডিটেইলস রেকর্ড (সিডিআর), ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ এবং নিরপেক্ষ সাক্ষীদের বক্তব্য সংগ্রহ করে। কিন্তু অভিযোগের পক্ষে কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে বাদীর শারীরিক পরীক্ষা করানো হলে চিকিৎসকের প্রতিবেদনে কোনো আঘাত বা নির্যাতনের আলামত পাওয়া যায়নি।

আবু জাহিদ অন্তু জানান, মিথ্যা মামলার কারণে সামাজিকভাবে তার সম্মানের ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, “তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণ হচ্ছে যে আমি নির্দোষ। কিন্তু আমার যে ক্ষতিটা হয়ে গেল, কোনো কিছু ভালোভাবে যাচাই-বাছাই না করেই আমাকে গ্রেফতার করা হলো, সেই ক্ষতির দায় কে নেবে?”

"আমি তদন্ত করে অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রমাণ পাইনি। চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছি, এখন পরবর্তী সিদ্ধান্ত আদালতের।"

— সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) কে. এম. রাশিদুর রহমান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (গুলশান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু জাহিদ অন্তু (গায়ক, শিক্ষার্থী), জান্নাতুন তাজরি অরা (ইডেন মহিলা কলেজ শিক্ষার্থী), সাব-ইন্সপেক্টর কে. এম. রাশিদুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ মে, ৩১ মে, ১০ ধারা, ৩১ জুলাই, ১৭ ধারা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖