📌 গাজীপুর টঙ্গীর একটি মাদ্রাসার শিক্ষক মোসলেম আহম্মদ (৩০) সাত বছরের এক মেয়েশিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার। ঘটনার পরদিন মিষ্টি নিয়ে শিশুটির বাড়িতে গেলে সিসিটিভি ক্যামেরা ধরে ফেলে। পরিবার হুমকির শিকার হচ্ছে বলে দাবি করছে
গাজীপুর টঙ্গীর একটি মাদ্রাসার শিক্ষক মোসলেম আহম্মদ (৩০) সাত বছরের এক মেয়েশিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার ও কারাগারে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার পরদিন দুপুরে মিষ্টি নিয়ে শিশুটির পরিবারের বাড়িতে গিয়ে সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েন তিনি। ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত প্রমাণে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোসলেম আহম্মদ (৩০) টঙ্গী মাদ্রাসার শিক্ষক, সাত বছরের মেয়েশিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার
- 📌 ২০ অক্টোবর দুপুর ১২:৩৮ মিনিটে সিসিটিভি ধরে ফেলে মিষ্টি নিয়ে শিশু পরিবারের বাড়িতে গেলে শিক্ষকের
- 📌 হুমকির শিকার শিশুটির পরিবার, অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি
- 📌 ২১ অক্টোবর শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়, জামিন নামঞ্জুর করা হয়
- 📌 ১৯ অক্টোবর ঘটনার পর শিশুটির বাবা ও স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন
📰 বিস্তারিত
গাজীপুর টঙ্গীর একটি মাদ্রাসার শিক্ষক মোসলেম আহম্মদ (৩০) সাত বছরের এক মেয়েশিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার ও কারাগারে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার পরদিন দুপুরে মিষ্টি নিয়ে শিশুটির পরিবারের বাড়িতে গিয়ে সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েন তিনি। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মোসলেম আহম্মদ লাল রঙের ব্যাগে মিষ্টির প্যাকেট নিয়ে ভবনে প্রবেশ করেন। নিচতলায় নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে তিনি লিফটে উঠেন। কিন্তু শিশুটির পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে না পেরে ফিরে যান।
শিশুটির পরিবার জানায়, ঘটনার পরদিন দুপুরে মোসলেম আহম্মদ তাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান, ‘আপনার দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছি। আপনার সঙ্গে একটু দেখা করতে আসছি’। কিন্তু শিশুটির বাবা বাসায় না থাকায় দেখা হয়নি। ঘটনার পর থেকে পরিবার হুমকির শিকার হচ্ছে বলে দাবি করেন শিশুটির বাবা। তিনি বলেন, ‘আমাদের মোবাইল নম্বর ছড়িয়ে পড়েছে। হুমকি দেওয়া হচ্ছে অভিযোগ তুলে নিতে এবং ভিডিও সরিয়ে ফেলতে’।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এখনো তদন্ত চলমান’। অভিযুক্ত শিক্ষক মোসলেম আহম্মদকে ২১ অক্টোবর গ্রেপ্তার করা হয় এবং জামিন শুনানিতে আদালত তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে।
"আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমার এই প্রতিবাদ আলেম সমাজের বিরুদ্ধে নয়। আমার এই প্রতিবাদ লেবাসধারীদের বিরুদ্ধে।"
শিশুটির বাবা আরও বলেন, ‘আমি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে বিচার চাইতে গিয়েছি। কিন্তু উল্টো আমাদের পরিবারকে চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে’। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর টঙ্গী, টঙ্গী পশ্চিম থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোসলেম আহম্মদ (৩০), শিশুটির বাবা, ওসি আরিফুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বছর (মোসলেম আহম্মদের বয়স), ১৯ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ), ২০ অক্টোবর (মিষ্টি নিয়ে বাড়ি যাওয়া), ২১ অক্টোবর (গ্রেপ্তার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!