📌 সিলেট ওসমানী হাসপাতালে রোগীর স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে সংঘর্ষে সাংবাদিকরা হামলার শিকার হন। দু’জন সাংবাদিক আহত হন এবং চিকিৎসাধীন। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে
সিলেট ওসমানী হাসপাতালে রোগীর স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে সংঘর্ষে দু’জন সাংবাদিক মারধর ও আহত হন। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে হাসপাতালের পঞ্চম তলায় ঘটনাটি ঘটে। আহত সাংবাদিকরা হলেন স্থানীয় দৈনিক শ্যামল সিলেটের ফটোসাংবাদিক রেজা রুবেল এবং সিলেটভিউ২৪ ডটকমের সাংবাদিক নিবেন্দু তালুকদার। তারা বর্তমানে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৮ অক্টোবর রাতে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে রোগীর স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে সংঘর্ষে দু’জন সাংবাদিক মারধর হন।
- 📌 আহত সাংবাদিকরা হলেন রেজা রুবেল (শ্যামল সিলেটের ফটোসাংবাদিক) এবং নিবেন্দু তালুকদার (সিলেটভিউ২৪ ডটকম)।
- 📌 সাংবাদিকরা অভিযোগ করেছেন, রোগীর স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকরা তাদের সাংবাদিক পরিচয় দিলেও মারধর চালিয়ে গেছেন।
- 📌 সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার ওসি খান মো. মাইনুল জাকির জানান, রোগীর দুই স্বজনকে আটকে রাখার অভিযোগে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে। পরে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
- 📌 হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং জড়িত ব্যক্তিদের আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।
- 📌 ঘটনার প্রতিবাদে সাংবাদিকরা সিলেটের চৌহাট্টা পয়েন্টে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন।
📰 বিস্তারিত
বুধবার রাতে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পঞ্চম তলায় রোগীর পায়ের অস্ত্রোপচারকে কেন্দ্র করে রোগীর স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে রোগীর দুই স্বজনকে মারধর করে আটকে রাখার অভিযোগ উঠে। সাংবাদিকরা ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর হামলার অভিযোগ করেন।
ফটোসাংবাদিক রেজা রুবেল বলেন, ‘রোগীর স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে ঝামেলা শুরু হলে আমরা ভিডিও করতে যাই। তখন চিকিৎসকেরা আমাদের মারধর করেন এবং আমার মাথা ফাটিয়ে দেন। আমরা বারবার নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিলেও তাঁরা মারধর চালিয়ে যান। বর্তমানে আমাদের চিকিৎসা চলছে।’
সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার ওসি খান মো. মাইনুল জাকির জানান, রোগীর স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে বিরোধ হয়। পরে পুলিশ গিয়ে রোগীর স্বজনদের উদ্ধার করে। এরপর ইন্টার্ন চিকিৎসকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. বদরুল আমিন বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে মেডিকেলের সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে বৈঠকে বসেছি। পরে কথা হবে।’
ঘটনার প্রতিবাদে সাংবাদিকরা বুধবার রাতেই সিলেটের চৌহাট্টা পয়েন্টে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। সিলেটের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শাহ্ দিদার আলম চৌধুরী নবেল অভিযোগ করেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার পর ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি কারণে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়েছে। কেউ কেউ চিকিৎসা না পেয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন এবং কয়েকজন রোগী ভর্তি হতে না পেরে ফিরে গেছেন।
"রোগীর স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে ঝামেলা শুরু হলে আমরা ভিডিও করতে যাই। তখন চিকিৎসকেরা আমাদের মারধর করেন এবং আমার মাথা ফাটিয়ে দেন। আমরা বারবার নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিলেও তাঁরা মারধর চালিয়ে যান। বর্তমানে আমাদের চিকিৎসা চলছে।" — ফটোসাংবাদিক রেজা রুবেল
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (পঞ্চম তলা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রেজা রুবেল, নিবেন্দু তালুকদার, খান মো. মাইনুল জাকির, ডা. বদরুল আমিন, শাহ্ দিদার আলম চৌধুরী নবেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ), ২ (আহত সাংবাদিক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!