📌 সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের মারধরের দৃশ্য ধারণ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা চালায় ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিক্যাল শিক্ষার্থীরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিলেও ভর্তি করেনি
সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের মারধরের দৃশ্য ধারণ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিকের ওপর মারধর চালায় ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিক্যাল শিক্ষার্থীরা। গত বুধবার রাত ১০টায় অস্ত্রোপচার কক্ষের সামনে ঘটে এই ঘটনা। সাংবাদিকরা অভিযোগ করেছেন, হামলায় তাদের মাথায় স্যালাইনের স্ট্যান্ড দিয়ে আঘাত করা হয় এবং মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিলেটের ওসমানী মেডিকেলে রোগীর স্বজনদের মারধরের দৃশ্য ধারণ করতে গিয়ে সাংবাদিক নিবেন্দু তালুকদার ও আলোকচিত্র সাংবাদিক রেজা রুবেলের ওপর হামলা চালায় ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা
- 📌 হামলায় রেজা রুবেলের মাথায় স্যালাইনের স্ট্যান্ড দিয়ে আঘাত করা হয় এবং সহকর্মীদের মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়
- 📌 হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিলেও ভর্তি করেনি, পরে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়
- 📌 হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের সহসাধারণ সম্পাদক রাকিন হান্না দাবি করেন, রোগীর স্বজনদের মারধরে দু’জন চিকিৎসক আহত হন এবং সাংবাদিকদের হামলার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন
- 📌 সিলেট কোতোয়ালি থানার ওসি জানান, হাসপাতালের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে
- 📌 সাংবাদিকরা হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
সিলেটভিউ২৪ ডটকমের প্রতিবেদক নিবেন্দু তালুকদার ও সিলেটের আলোকচিত্র সাংবাদিক রেজা রুবেল গত বুধবার রাত ১০টায় এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের মারধরের দৃশ্য ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হন। রেজা রুবেলের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের মারধরের খবর পেয়ে সেখানে গিয়েছিলেন। সেখানে উপস্থিত সহকর্মীদের সাথে ছবি তুলতে গেলে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিক্যাল শিক্ষার্থীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় তাদের মাথায় স্যালাইনের স্ট্যান্ড দিয়ে আঘাত করা হয় এবং মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে অন্য সহকর্মীরা গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিলেও কর্মবিরতির অজুহাতে তাদের ভর্তি করেনি। পরে তারা একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের সহসাধারণ সম্পাদক রাকিন হান্না বলেন, হাসপাতালে রোগীর চাপ বেশি ছিল। অস্ত্রোপচারের জন্য প্রায় ৬০ জন রোগী ছিলেন। সেখানে ভিড় থাকায় সিরিয়াল নিয়ে ঝামেলা হয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনেরা উত্তেজিত হয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের ওপর হামলা চালান। এ ঘটনায় দু’জন চিকিৎসক আহত হন। তিনি আরও বলেন, ‘মারার পর সব সাংবাদিক হয়ে যায়’ এবং সাংবাদিকদের হামলার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।
সাংবাদিকদের প্রতিবাদে গত বুধবার রাত সাড়ে ১২টায় সিলেটের চৌহাট্টা মোড়ে অবস্থান নেন সাংবাদিকেরা। তারা হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া, হাসপাতালের সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ পরীক্ষা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
"মারার পর সব সাংবাদিক হয়ে যায়"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সিলেট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিবেন্দু তালুকদার, রেজা রুবেল, রাকিন হান্না, নাসির উদ্দিন আহমদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ জন রোগী, ১০:০০ টা, ১২:০০ টা, ২৪ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!