📅 ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

'একটি কিনলে একটি ফ্রি' অফারে কোটি টাকা চুরি করে পালানোর অভিযোগে সিলেটের দম্পতি গ্রেপ্তার

'একটি কিনলে একটি ফ্রি' অফারে কোটি টাকা চুরি করে পালানোর অভিযোগে সিলেটের দম্পতি গ্রেপ্তার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 'একটি কিনলে একটি ফ্রি' অফার দিয়ে প্রায় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সিলেটের 'আঁখি সুপার শপ' পরিচালক আসমা শারমিন ও তার স্বামী জাহাঙ্গীর আলমকে রাজশাহী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের তথ্য মতে, ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দিলেও দম্পতি পালিয়ে যাওয়ার পর এবার তাদের শনাক্ত করা গেছে

সিলেটের একটি সুপার শপ পরিচালনার নামে 'একটি কিনলে একটি ফ্রি' অফার দিয়ে প্রায় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সিলেটের 'আঁখি সুপার শপ' পরিচালক আসমা শারমিন ও তার স্বামী জাহাঙ্গীর আলমকে রাজশাহী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই দম্পতির বিরুদ্ধে মোট ১৭টি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **সিলেটের 'আঁখি সুপার শপ' পরিচালক আসমা শারমিন (৩২) ও তার স্বামী জাহাঙ্গীর আলম (৩৭) গ্রেপ্তার** — রাজশাহী থেকে গত রোববার রাতে পুলিশ তাদের শনাক্ত করে।
  • 📌 **১৫টি মামলায় আসমার ও ২টি মামলায় জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল** — সিলেটে ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দিলেও তারা পালিয়ে যান।
  • 📌 **ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে 'শতভাগ ক্যাশব্যাক' অফার দিয়ে প্রায় ৪০০-৫০০ গ্রাহকের কাছ থেকে ১৫-২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ** — পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর গ্রাহকরা প্রতারিত হন।
  • 📌 **পুলিশের অনুসন্ধানে হাফিজুর রহমানের নামে নিবন্ধিত মুঠোফোন নম্বর শনাক্ত করা হয়** — এই নম্বর দিয়ে দম্পতি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করতেন।
  • 📌 **আসমা রাজশাহীর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে, জাহাঙ্গীরকে পাবনার বেড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে** — গ্রেপ্তারের পর পুলিশ তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে।

📰 বিস্তারিত

সিলেটের বটেশ্বর গইলাপাড়া এলাকায় অবস্থিত 'আঁখি সুপার শপ' পরিচালনার নামে আসমা শারমিন ও জাহাঙ্গীর আলম 'একটি কিনলে একটি ফ্রি' অফার দিয়ে গ্রাহকদের প্রতারিত করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন। পুলিশের তথ্য মতে, আসমা শারমিন রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার গণিপুর ইউনিয়নের হাসনিপুর গ্রামের আশরাফ হোসেনের মেয়ে, আর জাহাঙ্গীর আলম পাবনার বেড়া উপজেলার পুনডুরিয়া গ্রামের সোলায়মান আলীর ছেলে।

২০২১ সালের ১৩ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটি 'একটি পণ্য কিনলে একই পণ্য আরেকটি ফ্রি' শিরোনামে একটি অফার প্রকাশ করে। ফেসবুক পেজে মোটরসাইকেল, ইলেকট্রনিক পণ্য ও গ্রোসারি পণ্যের ৩০ ও ৯০ দিনের প্যাকেজের প্রচারণা চালানো হতো। গ্রাহকদের আকৃষ্ট করার জন্য তারা 'শতভাগ ক্যাশব্যাক' অফার দিতেন। তবে ২৭ ডিসেম্বর থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় তালাবদ্ধ হয়ে যায়।

পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) শিহাব উদ্দিন জানান, ২০২২ সালে সিলেটে মামলা হওয়ার পর থেকে এই দম্পতিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। তারা অন্যের নামে নিবন্ধিত মুঠোফোন সিম ব্যবহার করে গাজীপুরে অবস্থান করতেন। সেখানে 'এসএম ওয়েল মিলস' নামে একটি প্রতিষ্ঠান চালু করে অনলাইনে তেল বিক্রি শুরু করেন। এছাড়া অন্যের নামে নিবন্ধিত মুঠোফোন নম্বরে নগদ হিসাব খুলে টাকা লেনদেন করতেন।

গ্রেপ্তারের পর আসমা শারমিনকে রাজশাহীর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে, আর জাহাঙ্গীর আলমকে পাবনার বেড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই দম্পতির বিরুদ্ধে মোট ১৭টি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।

"আসমা ও জাহাঙ্গীরের অবস্থান শনাক্ত করতে গিয়ে সম্প্রতি পিরোজপুরের হাফিজুর রহমানের নামে নিবন্ধিত একটি মুঠোফোন নম্বরের সন্ধান পাওয়া যায়। ওই নম্বর দিয়ে তাঁরা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করতেন। এ সূত্র ধরে অনুসন্ধান করে শেষ পর্যন্ত তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিলেট (বটেশ্বর গইলাপাড়া), রাজশাহী, গাজীপুর, পাবনা (বেড়া)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসমা শারমিন (৩২), জাহাঙ্গীর আলম (৩৭), উপপরিদর্শক শিহাব উদ্দিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭টি মামলা, ৩২ বছর, ৩৭ বছর, ১৩ নভেম্বর, ২৭ ডিসেম্বর, ৪০০-৫০০ গ্রাহক, ১৫-২০ কোটি টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖