📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেনসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪০ ভরি সোনা আত্মসাৎের অভিযোগে। রাজশাহীর ব্যবসায়ী নিঝুমের দুলাভাই মোহাম্মদ আলী ও কনস্টেবল জাকিরের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ইতোমধ্যে মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে সাড়ে ২০ ভরি সোনা উদ্ধার করা হয়েছে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের কনস্টেবল জাকির হোসেনসহ দুজনকে সোনা আত্মসাৎের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা পুলিশ পরিচয় দিয়ে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৪০ ভরি সোনা আত্মসাৎ করেছেন। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে মোহাম্মদ আলী ও পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেনসহ মোহাম্মদ আলী ও অজ্ঞাত আসামি গ্রেপ্তার
- 📌 ৪০ ভরি সোনা আত্মসাৎের অভিযোগে মামলা দায়ের, সাড়ে ২০ ভরি সোনা উদ্ধার
- 📌 মোহাম্মদ আলী জিজ্ঞাসাবাদে সোনা হস্তান্তর, বাকি সোনা উদ্ধারের অভিযান চলছে
- 📌 জাকির হোসেন অভিযোগ স্বীকার করেননি, পুলিশের লাইন্সে সংযুক্ত থাকার কথা জানানো হয়
📰 বিস্তারিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, গত শনিবার রাতে সদর থানায় মামলা দায়েরের পর গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেন, মোহাম্মদ আলী এবং একজন অজ্ঞাত আসামি। মামলার বাদী ব্যবসায়ী নিঝুমের দুলাভাই মোহাম্মদ আলী ও কনস্টেবল জাকিরের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, রাজশাহীর সোনা ব্যবসায়ী নিঝুমের ভাইয়ের জুয়েলার্সের দোকান থেকে অর্ডার অনুযায়ী ৪০ ভরি গলিত সোনা চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাঠানো হয়। সোনা চালানটি কালীনগর ব্রিজের পাশে এক ব্যবসায়ীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার পর পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেনসহ দুজন পুলিশ পরিচয় দিয়ে সোনা আত্মসাৎ করেন। নিঝুমের অভিযোগ, মোহাম্মদ আলী, তার ছেলে নয়ন ও কনস্টেবল জাকির মিলে সোনাগুলো ভাগ-বাটোয়ারা করেন।
জিজ্ঞাসাবাদে মোহাম্মদ আলী তার কাছে থাকা সোনাের অংশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন এবং বাকি সোনা কনস্টেবল জাকির হোসেনের কাছে থাকার কথা জানিয়েছেন। তবে জাকির হোসেন এখন পর্যন্ত অভিযোগের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেননি। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জাকির হোসেন এক মাসের ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে যান এবং পরে অফিসার্স মেসে যোগ দেন। ঘটনার পর সোনা আত্মসাৎের অভিযোগ জানাজানি হলে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।
"মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহীর সোনা ব্যবসায়ী নিঝুমের ভাইয়ের জুয়েলার্সের দোকান থেকে অর্ডার অনুযায়ী বিভিন্ন স্থানে সোনা পাঠানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৪০ ভরি গলিত সোনাের একটি চালান চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাঠানো হলে সেটি নিয়ে আসেন নিঝুমের দুলাভাই মোহাম্মদ আলী। গত ৮ আগস্ট সদর উপজেলার কালীনগর ব্রিজের পাশে এক ব্যবসায়ীর কাছে সোনাের চালানটি পৌঁছে দেওয়ার পরপরই সেখানে কনস্টেবল জাকির হোসেনসহ দুজন উপস্থিত হন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা, কালীনগর ব্রিজ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেন, মোহাম্মদ আলী, ব্যবসায়ী নিঝুম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ ভরি (সোনা আত্মসাৎ), ২০ ভরি (উদ্ধার), ৮ আগস্ট (ঘটনার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!