📌 কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতা রেনু মিয়া পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর হাতকড়া পরা অবস্থায় পালিয়ে যান। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মামলায় আসামি রেনু মিয়া দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতা রেনু মিয়া পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর হাতকড়া পরা অবস্থায় কৌশলগতভাবে পালিয়ে যান। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রেনু মিয়াকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করার পর ঘটনাটি ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতা রেনু মিয়া পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর হাতকড়া পরা অবস্থায় পালিয়ে যান
- 📌 রেনু মিয়া ছয়সূতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ইল্লাত মিয়ার ছেলে
- 📌 বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মামলায় আসামি রেনু মিয়া দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন
- 📌 গ্রেপ্তারের সময় স্থানীয় লোকজন সেখানে জড়ো হলেও কোনো হট্টগোল হয়নি
- 📌 কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী আরিফ উদ্দিন বলেছেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে
📰 বিস্তারিত
সোমবার দুপুরে কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়নের মাধবদী এলাকায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তার করার পর ঘটনাটি ঘটে। গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন সেখানে জড়ো হলেও কোনো ধরনের হট্টগোলের ঘটনা ঘটেনি। তবে মানুষের ভিড়ের সুযোগ নিয়ে রেনু মিয়া হাতকড়া পরা অবস্থায় কৌশলে পালিয়ে যান।
রেনু মিয়া ছয়সূতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ইল্লাত মিয়ার ছেলে। তিনি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে কুলিয়ারচর থানায় করা একটি মামলার আসামি। মামলা হওয়ার পর থেকেই তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন।
কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী আরিফ উদ্দিন বলেছেন, “ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
"ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুলিয়ারচর উপজেলা, কিশোরগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রেনু মিয়া, কাজী আরিফ উদ্দিন (কুলিয়ারচর থানার ইউএনও)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ সেপ্টেম্বর, ৯ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!