📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২:০০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সুনামগঞ্জে নির্যাতনের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা হাসপাতালে ভর্তি, ওসি দাবি ‘খিঁচুনি রোগী’

সুনামগঞ্জে নির্যাতনের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা হাসপাতালে ভর্তি, ওসি দাবি ‘খিঁচুনি রোগী’

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সুনামগঞ্জ সদর থানায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্সকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ওসি দাবি করেছেন তিনি খিঁচুনি রোগী এবং নির্যাতিত হননি। পরিবার জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকালে তিনি পুলিশের সাথে কথা বলছিলেন, পরে হাসপাতালে ভর্তি হন

সুনামগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্স (১৯) পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত ১২টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করে সদর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবারের অভিযোগে, গ্রেপ্তারকালে পুলিশের সাথে কথা বলার পর তিনি আহত হন এবং সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্স (১৯) সুনামগঞ্জ সদর থানায় গ্রেপ্তারকালে নির্যাতনের অভিযোগে আহত হন এবং সিলেটে হাসপাতালে ভর্তি হন।
  • 📌 ওসি রতন শেখ দাবি করেছেন, শাহনেওয়াজ খিঁচুনি রোগী এবং নির্যাতিত হননি। তিনি বলেছেন, সিসিটিভি ফুটেজে তার কোনো আঘাতের প্রমাণ নেই।
  • 📌 শাহনেওয়াজের ছোট ভাই ফাহিম রাজা ওসিকে ফেসবুকে গালিগালাজ ও হুমকি দিয়েছেন। ওসি জানিয়েছেন, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
  • 📌 শাহনেওয়াজের বাবা শাহরুখ রাজা জানান, ছেলে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন এবং মিথ্যা মামলায় আগে আটক হয়েছিল।
  • 📌 গ্রেপ্তারকালে ভিডিওতে দেখা যায়, শাহনেওয়াজ পুলিশকে বলেছিলেন, ‘কয়দিন পর আত্মসমর্পণ করবো’। পুলিশের উত্তর ছিল, ‘ক্যারিয়ার তো শেষ হয়ে গেছে’।

📰 বিস্তারিত

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্স (১৯) বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত ১২টার দিকে সুনামগঞ্জ সদর থানায় গ্রেপ্তার হন। তার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরিবারের অভিযোগে, গ্রেপ্তারকালে পুলিশের সাথে কথা বলার পর তিনি আহত হন এবং সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলেও পরিবার তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করাচ্ছে। শাহনেওয়াজের বাবা শাহরুখ রাজা জানান, ছেলে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন এবং আগে মিথ্যা মামলায় জেলে ছিলেন।

ওসি রতন শেখ গণমাধ্যমকে বলেছেন, শাহনেওয়াজের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে এবং তিনি খিঁচুনি রোগী। তিনি দাবি করেছেন, থানাহাজতে দাঁড়ানো অবস্থায় পড়ে গেলেন এবং কোনো নির্যাতন হয়নি। ওসি জানান, সিসিটিভি ফুটেজে তার কোনো আঘাতের প্রমাণ নেই। তবে পরিবার ও সমর্থকদের অভিযোগে, পুলিশের হেফাজতে নির্যাতনের কারণে তিনি আহত হন।

শাহনেওয়াজের ছোট ভাই ফাহিম রাজা ওসিকে ফেসবুকে গালিগালাজ ও হুমকি দিয়েছেন। ওসি জানিয়েছেন, ফাহিম রাজার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শাহনেওয়াজের পরিবার জানিয়েছে, পুলিশের সাথে কথা বলার পর তিনি আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি হন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, গ্রেপ্তারকালে শাহনেওয়াজ পুলিশকে বলছিলেন, ‘স্যার আমি কয়দিন পর আত্মসমর্পণ করবো’। পুলিশের উত্তর ছিল, ‘বোকা ছেলের মতো কথা বলে’।

"আমার ছেলে এ বছর সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। এর আগে মিথ্যা মামলায় আটক করা হয়েছিল তাকে। জেল থেকে সে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। বর্তমানে জামিনে থাকা সত্বেও বাসা থেকে ধরে নিয়ে ঘন্টা দুয়েকের মধ্যে আমার ছেলেকে আহত করে হাসপাতালে ফেলে রাখা হয়।" — শাহনেওয়াজের বাবা শাহরুখ রাজা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুনামগঞ্জ সদর থানা, সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল, সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতাল, সুবিদবাজারের কুইন্স হাসপাতাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্স (১৯), ওসি রতন শেখ, শাহরুখ রাজা, ফাহিম রাজা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ (শাহনেওয়াজের বয়স), ২৯ অক্টোবর (গ্রেপ্তার তারিখ), ১২ টা (গ্রেপ্তার সময়), ৩টি মামলা (শাহনেওয়াজের বিরুদ্ধে)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖