📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৩১ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল: শেখ হাসিনা-রেহানা-নজরুলের বিরুদ্ধে ২৭৬ কোটি টাকার দুর্নীতির মামলা

৩১ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল: শেখ হাসিনা-রেহানা-নজরুলের বিরুদ্ধে ২৭৬ কোটি টাকার দুর্নীতির মামলা

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ২৭৬ কোটি টাকা অপহরণের অভিযোগে শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে ৩১ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলায় দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনসহ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৯ ও ১০৯-এ অভিযোগ আনা হয়েছে

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে ৪১টি ব্যাংকের সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল থেকে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা অপহরণের অভিযোগে শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে ৩১ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন, কারণ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ: শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা
  • 📌 ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা অপহরণের অভিযোগ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে
  • 📌 দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে
  • 📌 ২০১৭-২০২৪ সময়কালে সংঘটিত বলে অভিযোগ
  • 📌 ৩ সেপ্টেম্বর মামলা দায়ের; জজ মো. শাহজাহান কবির নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন

📰 বিস্তারিত

দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ১৯৯৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট গঠিত হয়। দলিলে শেখ হাসিনাকে আজীবন সভাপতি এবং তাঁর অনুপস্থিতিতে শেখ রেহানাকে সভাপতির দায়িত্ব পালনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সমাজসেবা অধিদপ্তর ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর অনুমোদন ছাড়াই ট্রাস্টের নামে ৪১টি তফসিলি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয়।

দুদকের তদন্তে জানা যায়, তৎকালীন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সভাপতি ও এক্সিম ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার নির্বাহী কমিটির সভার নির্ধারিত আলোচ্যসূচিতে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত না থাকলেও ‘বিবিধ’ আলোচনায় তা উপস্থাপন করেন। পরে নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তে ব্যাংকগুলোর সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টের অনুকূলে অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধমূলক অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে অর্থ সংগ্রহ করেন। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

"আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধমূলক অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি করেছেন"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার, জজ মো. শাহজাহান কবির
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, ৩১ জানুয়ারি, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭-২০২৪

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖