📌 ঢাকার সাভারে একটি মাদ্রাসায় ছয় মাস ধরে ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে পাঁচজন গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে তিনজন ছাত্র ও দুজন শিক্ষক। পুলিশ অভিযান চালিয়ে আরও আসামিদের গ্রেপ্তার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে
ঢাকার সাভারে একটি মাদ্রাসায় ছয় মাস ধরে ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে পাঁচজন গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার পাঁচজনের মধ্যে তিনজন ওই মাদ্রাসার ছাত্র এবং দুজন শিক্ষক। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগে তিনজন ছাত্র ও একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। অন্যদিকে, শিশুটিকে মারধর ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে আরেকজন শিক্ষককে দায়ী করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার সাভারের একটি মাদ্রাসায় ৭ বছর বয়সী শিশুকে ছয় মাস ধরে ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার করা হয়
- 📌 পাঁচজন গ্রেপ্তার: তিনজন ছাত্র (১২, ১৩ ও ১৫ বছর বয়সী) এবং দুজন শিক্ষক (জাবের হোসেন, ২১ বছর ও মো. কামরুল ইসলাম, ২৬ বছর)
- 📌 গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে তিনজন ও শিক্ষক জাবের হোসেনের বিরুদ্ধে শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগ
- 📌 শিক্ষক মো. কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শিশুটিকে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ
- 📌 পুলিশের তথ্য: গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের মধ্যে কয়েকজন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধ স্বীকার করেছেন
- 📌 মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার পাঁচ শিক্ষার্থী, চার শিক্ষক ও পরিচালকসহ মোট ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে
- 📌 পুলিশের অভিযান চলছে, বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের আশা
📰 বিস্তারিত
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সাভারের পূর্ব শাহবাগ এলাকার একটি মাদ্রাসায় ছয় মাস ধরে শিশুটিকে ধর্ষণ ও নির্যাতন করা হয়েছিল। শিশুটিকে মারধর ও হুমকি দেওয়া হয়েছিল বিষয়টি প্রকাশ না করার জন্য। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগে পাঁচ শিক্ষার্থী ও একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। অন্যদিকে, শিশুটিকে মারধর ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে বাকি তিন শিক্ষক ও পরিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।
২৩ আগস্ট, শিশুটির বাবা ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করার আবেদন করেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই আবেদনটি আমলে নিয়ে সাভার মডেল থানাকে অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাভার মডেল থানা, আশুলিয়া থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একাধিক দল বরগুনা, ভোলা, সিরাজগঞ্জ, গাজীপুর ও ঢাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিবুল হাসান ইশান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘মামলাটি ঢাকা জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ডিল করছে। আমরা কনফিডেন্ট, খুব শিগগির বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হব।’ তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের মধ্যে কয়েকজন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন।
"মামলাটি ঢাকা জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ডিল করছে। আমরা কনফিডেন্ট, খুব শিগগির বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হব"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার সাভার, পূর্ব শাহবাগ এলাকার একটি মাদ্রাসা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিবুল হাসান ইশান, শিশু ভুক্তভোগী (৭ বছর), জাবের হোসেন (২১), মো. কামরুল ইসলাম (২৬), গ্রেপ্তারকৃত তিনজন ছাত্র (১২, ১৩ ও ১৫ বছর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ মাস ধরে ধর্ষণ-নির্যাতন, ৭ বছর বয়সী শিশু, ৫ জন গ্রেপ্তার, ১০ জন আসামি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!