📌 কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে আলোচিত পীর জাহাঙ্গীরের মরদেহ রাতে কবর থেকে তুলে নেওয়া হয় এবং দরবার প্রাঙ্গণে সমাধিস্থ করার চেষ্টা করা হয়। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দেহাবশেষ পুনরায় কবরস্থানে প্রতিস্থাপিত হয়। ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে আলোচিত পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীরের মরদেহ রাতে অপহরণের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ফিলিপনগর এলাকায় পীরের কবর থেকে তার দেহাবশেষ তুলে নেওয়া হয় এবং দরবার প্রাঙ্গণে সমাধিস্থ করার চেষ্টা করা হয়। এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দেহাবশেষ পুনরায় কবরস্থানে প্রতিস্থাপন করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫ সেপ্টেম্বর রাতে কুষ্টিয়া দৌলতপুরের ফিলিপনগর এলাকায় পীর জাহাঙ্গীরের কবর থেকে তার মরদেহ তুলে নেওয়া হয় এবং দরবার প্রাঙ্গণে সমাধিস্থ করার চেষ্টা করা হয়।
- 📌 দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান জানান, পীরের ভক্তরা রাতে কবর থেকে দেহাবশেষ তুলে নেয়। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দেহাবশেষ পুনরায় কবরস্থানে প্রতিস্থাপন করা হয়।
- 📌 ১১ এপ্রিল ফিলিপনগর ইউনিয়নে পবিত্র কোরআন অবমাননার ঘটনা কেন্দ্র করে পীর জাহাঙ্গীরের দরবারে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে মৃত্যুবরণ করেন।
- 📌 ১৩ এপ্রিল নিহত পীরের বড় ভাই ফজলুর রহমান মামলা দায়ের করেন। মামলায় চারজনকে নাম উল্লেখ করে আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।
- 📌 এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর এলাকায় শুক্রবার রাতে পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীরের মরদেহ কবর থেকে তুলে নেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পীরের কিছু ভক্ত রাতে তার কবর থেকে দেহাবশেষ তুলে নেয় এবং দরবার প্রাঙ্গণে সমাধিস্থ করার চেষ্টা করেন। এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, ‘পীরের ভক্তরা রাতে কবর থেকে দেহাবশেষ তুলে নেয়। খবর পেয়ে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়। পরে তাদের হস্তক্ষেপে দেহাবশেষ পুনরায় কবরস্থানে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।’
গত ১১ এপ্রিল ফিলিপনগর ইউনিয়নে পবিত্র কোরআন অবমাননার ঘটনা কেন্দ্র করে পীর জাহাঙ্গীরের দরবারে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ দক্ষিণ-পশ্চিম কবরস্থানে দাফন করা হয়। এরপর প্রায় পাঁচ মাসের মাথায় কবর থেকে তার দেহাবশেষ তুলে নেওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ১৩ এপ্রিল রাতে নিহত পীরের বড় ভাই ফজলুর রহমান বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় মামলা করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করে আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
"পীরের ভক্তরা রাতে কবর থেকে দেহাবশেষ তুলে নেয়। খবর পেয়ে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়। পরে তাদের হস্তক্ষেপে দেহাবশেষ পুনরায় কবরস্থানে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফিলিপনগর, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পীর শামীম রেজা (জাহাঙ্গীর), ফজলুর রহমান, খালেদুর রহমান (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ সেপ্টেম্বর, ১১ এপ্রিল, ১৩ এপ্রিল, ১৮০ থেকে ২০০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!