📌 ঢাকার কদমতলীর এক ফার্মেসি ব্যবসায়ী তার স্ত্রী, শাশুড়ি ও কথিত প্রেমিকের বিরুদ্ধে চার লাখ টাকার যৌতুক দাবি এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন
ঢাকা: ঢাকার কদমতলী এলাকার একজন ফার্মেসি ব্যবসায়ী তার স্ত্রী, স্ত্রীর কথিত প্রেমিক এবং শাশুড়ির বিরুদ্ধে চার লাখ টাকা যৌতুক দাবি ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন বাদী মো. শামীম মিয়া। আদালত তার জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগটি তদন্তের জন্য কদমতলী থানার পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্ত্রী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে চার লাখ টাকা যৌতুক দাবি এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে মামলা দায়ের
- 📌 মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, স্ত্রী কথিত প্রেমিকের ব্যবসার জন্য স্বামীর কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন
- 📌 গত দুই বছরে প্রায় চার লাখ টাকা নেওয়ার পর স্বামী টাকা ফেরত চাইলে স্ত্রী তা অস্বীকার করেন
- 📌 গত ২০ আগস্ট রাতে স্ত্রী ও শাশুড়ি স্বামীকে গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ
📰 বিস্তারিত
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বাদী মো. শামীম মিয়া ও তার স্ত্রী ফাতেমা তুজ জহুরার বিয়ে হয় ২০১৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর। বিবাহ পরবর্তী সময়ে শামীম মিয়া জানতে পারেন যে তার স্ত্রী বিয়ের আগের একটি সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় কথিত প্রেমিক শেখ মো. ইমাম হোসাইনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। অভিযোগে বলা হয়, ফার্মেসি ব্যবসা থেকে অর্জিত অর্থ শামীম মিয়া বাসায় রাখতেন। সেই অর্থ থেকে তার স্ত্রী বিভিন্ন সময়ে কথিত প্রেমিক ও নিজের মাকে অর্থ প্রদান করতেন।
শামীম মিয়া বিষয়টি জানতে পেরে বাধা দিলে তার স্ত্রী বৈবাহিক সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার শর্তে বিভিন্ন অজুহাতে তার কাছ থেকে টাকা নিতে থাকেন। গত দুই বছরে প্রায় চার লাখ টাকা নেওয়ার পর শামীম মিয়া সেই অর্থ ফেরত চাইলে তার স্ত্রী স্বীকার করেন যে টাকা কথিত প্রেমিক ও তার মায়ের কাছে দেওয়া হয়েছে।
সবশেষ গত ২০ আগস্ট রাতে স্ত্রী ও শাশুড়ি কথিত প্রেমিকের ব্যবসার জন্য চার লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে দাবি করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। শামীম মিয়া টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে গালিগালাজ করা হয় এবং ধাক্কা দিয়ে খাটের ওপর ফেলে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় বলেও মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
"স্ত্রী ও শাশুড়ি কথিত প্রেমিকের ব্যবসার জন্য চার লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমাকে গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।"
আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কদমতলী থানার পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানা গেছে। মামলায় বাদীপক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এস এম সবুজ।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কদমতলী, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শামীম মিয়া, ফাতেমা তুজ জহুরা, শেখ মো. ইমাম হোসাইন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চার লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!