📌 রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের ৪ সদস্যের হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই আসামির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া জৈবিক আলামতের সঙ্গে মিলিয়ে তদন্ত চলছে
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের ৪ সদস্যের হত্যাকাণ্ডের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ নেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার করা দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের জন্য তাদের ঢাকায় পুলিশের ফরেনসিক ল্যাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা জৈবিক আলামতের সঙ্গে আসামিদের ডিএনএ মিলিয়ে তাদের উপস্থিতি যাচাই করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের ৪ সদস্যের হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই আসামির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
- 📌 ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা জৈবিক আলামত ও নিহতদের নমুনার সঙ্গে আসামিদের ডিএনএ মিলিয়ে তাদের উপস্থিতি যাচাই করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- 📌 রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, কারাগার থেকে আসামিদের ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
- 📌 গত ২২ আগস্ট রাতে নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়, পরে প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।
📰 বিস্তারিত
রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপে এগিয়ে এসেছে। ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামত ও নিহত ব্যক্তিদের নমুনার সঙ্গে আসামিদের ডিএনএ মিলিয়ে দেখা হবে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে ঘটনাস্থলে আসামিদের উপস্থিতির সঙ্গে কোনো জৈবিক আলামতের সম্পর্ক নির্ধারণ করা হবে। রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের জন্য দুই আসামির নমুনা সিআইডিতে দেওয়া হয়েছে। সেখানে নমুনা সংগ্রহের পর তাদের রংপুরে ফেরত আনার কথা রয়েছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন জৈবিক আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। এই আলামত ও নিহত ব্যক্তিদের নমুনার সঙ্গে আসামিদের ডিএনএ মিলিয়ে দেখা হবে। এর মাধ্যমে ঘটনাস্থলে আসামিদের উপস্থিতির সঙ্গে কোনো জৈবিক আলামতের সম্পর্ক আছে কি না, তা যাচাই করার চেষ্টা করা হবে। তবে পরীক্ষার ফল পাওয়া না পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।
নিহতদের মধ্যে ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী। নিহতের চাচা মানিক মিয়া জানান, ফটোকপি করার জন্য সাইকেলযোগে বাড়ি থেকে ধরেয়ার বাজারের দিকে যাচ্ছিল হুমায়ূন। পথে জলঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাক তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
"কারাগার থেকে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে ঢাকায় নেওয়া হবে। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া জৈবিক আলামতের সঙ্গে আসামিদের ডিএনএ মিলিয়ে তাদের উপস্থিতি যাচাই করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুরের মাছুয়াপাড়া, রংপুর মহানগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সনাতন চক্রবর্তী (উপপুলিশ কমিশনার), সিদ্ধার্থ দাস, মুগ্ধ দাস, গণপতি চক্রবর্তী, প্রীতিলতা চক্রবর্তী, আগামী চক্রবর্তী, প্রিয়ম চক্রবর্তী, মানিক মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন নিহত, ২২ আগস্ট (ঘটনার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!