📌 রংপুরে সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও পরিবারের চার সদস্যের হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনের জন্য দুই আসামির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামতের সঙ্গে মিলিয়ে আসামিদের জৈবিক সম্পর্ক নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে
রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্যের হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনের জন্য দু’জন আসামির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে আজ রোববার রাতে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত বিভিন্ন জৈবিক আলামতের সঙ্গে মিলিয়ে আসামিদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় ২১ আগস্ট সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও দুই সন্তানকে হত্যা করা হয়
- 📌 হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামতের সঙ্গে মিলিয়ে আসামিদের ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে
- 📌 আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে আজ রোববার রাতে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে, সোমবার ঢাকা সিআইডিতে নমুনা সংগ্রহ করা হবে
- 📌 হত্যাকাণ্ডের পর আসামিদের বাড়িতে অবস্থান, খাবার খাওয়া ও গোসল করার পুলিশের দাবির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো ফরেনসিক আলামত পাওয়া যায়নি
- 📌 মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) জানায়, হত্যার উদ্দেশ্য ও সময়রেখা সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া জরুরি
📰 বিস্তারিত
রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, আজ রাতের যেকোনো সময় আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে ঢাকায় পাঠানো হবে। সোমবার ঢাকা সিআইডি কার্যালয়ে তাদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হবে। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামত এবং নিহতদের নমুনার সঙ্গে আসামিদের ডিএনএ মিলিয়ে দেখা হবে। এর মাধ্যমে ঘটনাস্থলে আসামিদের উপস্থিতি বা কোনো আলামতের সঙ্গে তাদের জৈবিক সম্পর্ক নিশ্চিত করা যাবে।
গত ২১ আগস্ট রাতে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রংপুর নগরের কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ গণপতি চক্রবর্তীর প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে কারাগারের ভেতর থেকে তাদের মূত্রের নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা করা হয়। তবে ডোপ টেস্টে মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
হত্যাকাণ্ডের রহস্য নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) জানায়, হত্যার উদ্দেশ্য, সময়রেখা, হত্যার পদ্ধতি, রাত ২টা ৪০ মিনিটের অস্বাভাবিক ফোনকল, হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বাড়িতে অবস্থান, খাবার খাওয়া ও গোসল করার পুলিশের দাবির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো ফরেনসিক ও ডিজিটাল আলামত পাওয়া গেছে কি না, তা স্পষ্ট হওয়া জরুরি। মামলাটি প্রথমে কোতোয়ালি থানা তদন্ত করলেও পরে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় রংপুর ডিবিকে।
"আজ রাতের যেকোনো সময় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহের জন্য ঢাকায় নেওয়া হবে। আগামীকাল সোমবার ঢাকা সিআইডি কার্যালয়ে তাঁদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর নগর, মাছুয়াপাড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সনাতন চক্রবর্তী (ডিবি উপকমিশনার), গোপীনাথ চক্রবর্তী, সিদ্ধার্থ দাস, মুগ্ধ দাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ (আগস্ট), ২ (টা), ৪০ (মিনিট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!