📌 জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ট্রাইব্যুনাল-২ ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে। প্রসিকিউশন আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করবে বলে জানানো হয়েছে
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে। রায়ে ইনুকে তিনটি অভিযোগে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে প্রসিকিউশন এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করবে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাসানুল হক ইনুকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
- 📌 ট্রাইব্যুনাল-২-এর রায়ে ইনুর বিরুদ্ধে আটটি অভিযোগ থেকে তিনটি প্রমাণিত হয়েছে।
- 📌 ৩০ জুন রায় ঘোষিত হলেও পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি প্রসিকিউশন দু-তিন দিন আগে পেয়েছে।
- 📌 প্রসিকিউশন ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করবে এবং রায়ে ইনুর ক্রিমিনাল অপরাধের দায় অস্বীকারের কারণে সংক্ষুব্ধ।
- 📌 ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, তিনটি অভিযোগে ১০ বছরের সাজা হলেও সাজা যুগপৎ চলবে এবং মোট ১০ বছর হবে।
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আজ রোববার অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম জানান, ইনুর বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনাল-২ ৩০ জুন রায় ঘোষণা করেছিল। এই রায়ে ইনুকে তিনটি অভিযোগে ১০ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে। তবে ট্রাইব্যুনালের রায়ে ইনুর ক্রিমিনাল অপরাধের দায় অস্বীকার করা হয়েছে। প্রসিকিউশন মনে করে, এই রায় আইনসংগত নয় এবং ইনুর কারফিউ সমর্থনকারী বক্তব্যের কারণে তাঁকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
ব্রিফিংয়ে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করবেন। তিনি আরও বলেন, ট্রাইব্যুনালের রায়ে ইনুর উপস্থিতি কোনো ফৌজদারি অপরাধ ঘটেনি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে প্রসিকিউশনের দৃষ্টিতে এই সিদ্ধান্ত যথার্থ নয়।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী রায়ে বলেছিলেন, তিনটি অভিযোগে ১০ বছরের সাজা হলেও সাজা যুগপৎ চলবে এবং মোট ১০ বছর হবে। তিনি বলেন, যদি তিনটি অভিযোগে ১০ বছরের সাজা দেওয়া হয়, তাহলে মোট ৩০ বছর হবে। কিন্তু এই সাজা যুগপৎ চলবে, অর্থাৎ মোট ১০ বছর হবে।
"তাঁরা যথাসময়ে আপিল করবেন। আপিল করার কারণ ব্যাখ্যা করে বলেছেন, ট্রাইব্যুনাল রায়ে ইনুর উপস্থিতি কোনো ফৌজদারি অপরাধ ঘটেনি বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। ওই মামলার রায়ের একটি পর্যায়ে ইনু কারফিউকে সমর্থন করে বক্তব্য দিয়েছেন। তাঁকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এই কনফ্লিক্ট এবং তাঁর ক্রিমিনাল দায় সৃষ্টি হয়নি—এই মর্মে ট্রাইব্যুনাল যে বক্তব্য দিয়েছেন, এটা প্রসিকিউশনের দৃষ্টিতে যথার্থ ও আইনসংগত হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিজানুল ইসলাম (প্রসিকিউটর), নজরুল ইসলাম চৌধুরী (বিচারপতি), হাসানুল হক ইনু (জাসদ সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ বছর (কারাদণ্ড), ৩০ দিন (আপিলের সময়সীমা), ৩০ জুন (রায় ঘোষণা), ৮টি অভিযোগ (মোট), ৩টি অভিযোগ (প্রমাণিত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!