📌 কিশোরগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উপসচিব জেবুন নাহার শাম্মী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি। সম্প্রতি জেলায় ১১০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ায় তিনি সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান
কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক উদ্যোগের অংশ হিসেবে পৌরসভার উদ্যোগে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাকুয়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন কিশোরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব জেবুন নাহার শাম্মী। তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতার উপর জোর দেন এবং বলেন, শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়—সকল নাগরিকের অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২০ সেপ্টেম্বর রাকুয়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে** অনুষ্ঠিত হয় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক।
- 📌 **কিশোরগঞ্জ জেলায় ১১০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত** হওয়ায় উপসচিব জেবুন নাহার শাম্মী সতর্কতা জানান।
- 📌 **ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ** করার আহ্বান জানান তিনি, কারণ এতে ডেঙ্গুর মশা প্রজননের পরিবেশ তৈরি হয়।
- 📌 **পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস পরিবার থেকেই গড়ে তুলতে হবে**—শিশুদেরও ছোটবেলা থেকে সচেতন করতে হবে।
- 📌 **১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. সাহেব আলী** সহ স্থানীয় নেতা, আইনজীবী ও ব্যবসায়ীগণ বৈঠকে অংশ নেন।
📰 বিস্তারিত
উপসচিব জেবুন নাহার শাম্মী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা। তিনি উল্লেখ করেন, ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা ও পলিথিন ফেলা জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে, যা ডেঙ্গুর মশা প্রজননের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। তিনি নাগরিকদের ড্রেনে ময়লা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে বা ডাস্টবিনে ফেলার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস পরিবার থেকেই গড়ে তুলতে হবে। সন্তানদেরও ছোটবেলা থেকে পরিবেশ রক্ষা ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন করতে হবে। তিনি বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুমুক্ত শহর গড়তে পৌরসভা ও নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. সাহেব আলী, সাবেক কাউন্সিলর ইসমাইল হোসেন ইদু, আইনজীবী আবদুল্লাহ আল বুখারী ও ব্যবসায়ী জোনায়েদ পিন্টু। পৌরসভার কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুর রহমান, সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার মোদক, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান, উপসহকারী প্রকৌশলী ফারুক আহমেদ, আজিজুল হক ও সারোয়ার জাহান চৌধুরী। এছাড়াও রাকুয়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বৈঠকে অংশ নেন।
"ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। এ জন্য নাগরিকদের সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি। ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা ও পলিথিন ফেলার কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে ডেঙ্গুর মশা প্রজননের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়। তাই ড্রেনে ময়লা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে বা ডাস্টবিনে ফেলার আহ্বান জানাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাকুয়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গাইটাল এলাকা, কিশোরগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপসচিব জেবুন নাহার শাম্মী, মো. সাহেব আলী, আইনজীবী আবদুল্লাহ আল বুখারী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত, ১ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!