📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাশেদ খাঁনের নির্যাতন অভিযোগে ট্রাইব্যুনাল তদন্তে নজর, ইশতিয়াক আহমেদসহ পুলিশ সদস্যদের জড়িত থাকার দাবি

রাশেদ খাঁনের নির্যাতন অভিযোগে ট্রাইব্যুনাল তদন্তে নজর, ইশতিয়াক আহমেদসহ পুলিশ সদস্যদের জড়িত থাকার দাবি

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনের নির্যাতন অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত চলছে। ইশতিয়াক আহমেদসহ পুলিশ সদস্যদের জড়িত থাকার দাবি রেখেছেন রাশেদ খাঁন, যিনি ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিশেষ সহকারী রাশেদ খাঁনের নির্যাতন অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত চলছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানানো হয়। রাশেদ খাঁনও উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি দাবি করেছেন, ইশতিয়াক আহমেদসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তার বিরুদ্ধে নির্যাতন চালিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাশেদ খাঁনের নির্যাতন অভিযোগে ইশতিয়াক আহমেদসহ পুলিশ সদস্যদের তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।
  • 📌 রাশেদ খাঁন জানান, ২০১৮ সালের ১ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনে গ্রেফতার হওয়ার পর তাকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত হাত-চোখ বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছিল।
  • 📌 ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইশতিয়াক আহমেদ ড্রোন ও সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও মুছে ফেলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রাশেদ খাঁনের।
  • 📌 রাশেদ খাঁন দাবি, তার বিরুদ্ধে ১৫ দিন নির্যাতন করা হয়েছিল এবং তৎকালীন সরকারের নির্দেশ ছাড়া এসব সম্ভব ছিল না।
  • 📌 ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে এবং আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

📰 বিস্তারিত

প্রেস ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানান, রাশেদ খাঁনের অভিযোগ নেওয়া হয়েছে এবং তদন্তের আওতায় রয়েছে ইশতিয়াক আহমেদসহ আরও কারা জড়িত ছিলেন এবং কী উদ্দেশ্যে তাকে নির্যাতন করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘রাশেদ খাঁনের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। তার করা অভিযোগ যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আরও কারা জড়িত ছিলেন এবং কী উদ্দেশ্যে তাকে আটক করে নির্যাতন করা হয়েছিল, সেসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় রয়েছে।’

রাশেদ খাঁন জানান, তিনি ২০২৫ সালের ৭ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ১ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় রাজধানীর ভাসানটেক এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে মিন্টো রোডের গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে এবং সেখান থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে তাকে হাত ও চোখ বেঁধে এবং মুখে গামছা দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় ইশতিয়াক আহমেদ ড্রোন ও সিসিটিভির মাধ্যমে বিভিন্ন ঘটনার ফুটেজ সংগ্রহ এবং পরে সেগুলো মুছে ফেলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি ও হত্যার প্রমাণ যাতে সংরক্ষিত না থাকে, সে উদ্দেশ্যেই এসব ফুটেজ মুছে ফেলা হয়েছিল।

"তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।"

আমিনুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (প্রেস ব্রিফিং), ভাসানটেক এলাকা, মিন্টো রোড (গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়), ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশেদ খাঁন, আমিনুল ইসলাম, ইশতিয়াক আহমেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ সেপ্টেম্বর (তদন্ত ঘোষণা), ৩০ মিনিট (নির্যাতন সময়), ১৫ দিন (রিমান্ড), ৭ মে (অভিযোগ দাখিল), ১ জুলাই (গ্রেফতার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖