📌 রাজধানীর রামপুরায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ২৮ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বিজিবি কর্মকর্তাসহ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল
ঢাকা: রাজধানীর রামপুরায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মামলায় অভিযুক্ত চার আসামির মধ্যে রয়েছেন বিজিবি কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম
- 📌 সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনে সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় প্রসিকিউশনের আবেদনের ভিত্তিতে নতুন তারিখ নির্ধারণ
- 📌 আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে আদেশ দেন বিচারক
- 📌 মামলার অপর তিন আসামি হলেন মেজর মো. রাফাত বিন আলম, মো. রাশেদুল ইসলাম ও মো. মশিউর রহমান
- 📌 ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর তাসমিরুল ইসলাম, মিজানুল ইসলাম ও মোহাম্মদ অলি মিয়া
📰 বিস্তারিত
রামপুরায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে নির্ধারিত দিনে সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ আগস্ট মামলার ১২তম সাক্ষী হিসেবে শিক্ষার্থী রাতুল হাসান জবানবন্দি দেন। এদিন সকালে গ্রেফতার হওয়া দুই আসামি লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো. রাফাত বিন আলমকে ঢাকার সেনানিবাসের বিশেষ কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
মামলার অপর দুই আসামি—খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মশিউর রহমান বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
"সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনে সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় প্রসিকিউশনের আবেদনের ভিত্তিতে নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা কোনো আপত্তি জানাননি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রামপুরা, ঢাকা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম, মো. রাশেদুল ইসলাম, মো. মশিউর রহমান
- 🔢 হতাহতের সংখ্যা: ২৮ জন নিহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!