📌 রাজশাহীতে কারুশ্রী জুয়েলার্সে সোনা-রুপা চুরির ঘটনায় পুলিশ ২৬ ভরি সোনা, ২৫ লাখ টাকা সহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে। চক্রের সদস্যরা তিন-চার মাস ধরে তথ্য সংগ্রহ করে চুরি করেছিল।
রাজশাহীতে একটি সোনা-রুপা চুরির ঘটনায় পুলিশ ২৬ ভরি সোনা, ২৫ লাখ টাকা সহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে। চক্রের সদস্যরা তিন-চার মাস ধরে তথ্য সংগ্রহ করে গত ১৯ জুন কারুশ্রী জুয়েলার্সে চুরি করেছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহী মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ১৯ জুন কারুশ্রী জুয়েলার্সে সোনা-রুপা চুরির ঘটনায় আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে
- 📌 চুরির সময় প্রায় ২০০ ভরি সোনা, ১ হাজার ২০০ ভরি রুপা ও ২৫ লাখ টাকা চুরি হয়েছিল
- 📌 গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে খুলনা থেকে রুস্তম আলী শেখ (৬৪), পিরোজপুরের স্বপন (৬২), উজ্জ্বল (৩৭), রিয়াজ (৩৯), ইউনুস (৪৫), বাগেরহাটের আবু তালেব (৪৫), কালাম শেখ (৪৮) এবং চাঁদপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী রবিউল হাসান (৪৫)
- 📌 রবিউলের হেফাজত থেকে ২৬ ভরি সোনা, ৬২ ভরি রুপা এবং ২৫ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে
- 📌 চক্রের সদস্যরা সিম কার্ড অন্য ব্যক্তিদের নামে নিবন্ধিত করে এবং দ্রুত এলাকা পরিবর্তন করে
📰 বিস্তারিত
চুরির প্রায় চার মাস আগে রাজশাহীর সাহেববাজার এলাকায় একটি চক্রের সদস্যরা ব্যবসায়ী ও ক্রেতা সেজে বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করে কারুশ্রী জুয়েলার্স ও আশপাশের এলাকার নজরদারি শুরু করে। তারা দোকানের প্রবেশপথ ও পালানোর রাস্তা ঠিক করে নেয়। এরপর গত ১৯ জুন ভোরে পাশের আফিয়া জুয়েলার্সের তালা খুলে ওই দোকানের পশ্চিম পাশের দেয়াল কেটে কারুশ্রী জুয়েলার্সে প্রবেশ করে।
মামলার তদন্তে রাজশাহী মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), সাইবার ইউনিট ও সিসিটিভি ক্যামেরা ইউনিট কাজ শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চক্রটির সদস্যদের শনাক্ত করা হয়। পুলিশ জানায়, চক্রের সদস্যরা একটি মুঠোফোন একবারের বেশি ব্যবহার করে না এবং সিম কার্ড অন্য ব্যক্তিদের নামে নিবন্ধিত করে। এমনকি যাঁদের নামে সিম নিবন্ধিত, তাঁরা নিজেদের নামে সিম থাকার বিষয়টিও জানেন না।
৮ সেপ্টেম্বর রাতে খুলনা থেকে রুস্তম আলী শেখ (৬৪) গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া থানার মাধবপুরা গ্রামের স্বপন (৬২), উজ্জ্বল (৩৭), রিয়াজ (৩৯), ইউনুস (৪৫), বাগেরহাটের শরণখোলা থানার খোন্তাকাটা গ্রামের আবু তালেব (৪৫), কালাম শেখ (৪৮) এবং চাঁদপুরের কচুয়া থানার বড়নীখোলা গ্রামের স্বর্ণ ব্যবসায়ী রবিউল হাসান (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়।
রবিউল হাসানের হেফাজত থেকে ২৬ ভরি সোনা, ৬২ ভরি রুপা এবং চোরাই সোনা বিক্রির ২৫ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত রবিউল অসুস্থ হয়ে পড়লে পুলিশি পাহারায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চুরি যাওয়া অন্য মালামাল উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের শুক্রবার সকালে আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে।
"চক্রের সদস্যরা দ্রুত এলাকা পরিবর্তন করে এবং কোনো এলাকায় স্থায়ীভাবে অবস্থান করেন না। তারা বছরে এক থেকে দুটি বড় ধরনের চুরি করে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী, সাহেববাজার, কারুশ্রী জুয়েলার্স
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুস্তম আলী শেখ (৬৪), স্বপন (৬২), উজ্জ্বল (৩৭), রিয়াজ (৩৯), ইউনুস (৪৫), আবু তালেব (৪৫), কালাম শেখ (৪৮), রবিউল হাসান (৪৫), উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ ভরি সোনা, ২৫ লাখ টাকা, ২০০ ভরি সোনা, ১ হাজার ২০০ ভরি রুপা, ১৯ জুন, ১১ টা, ১০-১২ জন, ৮ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!