📌 র্যাব বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ নামে নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত খসড়া আইনে এসআরবির গঠন, দায়িত্ব ও ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে
ঢাকা, বাংলাদেশ, ২৬ মার্চ ২০২৬: র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ নামে একটি নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 র্যাব বিলুপ্ত করে ‘এসআরবি আইন, ২০২৬’ শীর্ষক খসড়া বিল প্রস্তুত করা হয়েছে।
- 📌 এসআরবির সদর দপ্তর ঢাকায় থাকবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দেশের অন্যত্র ইউনিট স্থাপন করা যাবে।
- 📌 ইউনিটের মহাপরিচালক পদে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
- 📌 এসআরবির দায়িত্বের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, সংঘবদ্ধ অপরাধ, মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক দমন অন্তর্ভুক্ত।
- 📌 প্রেষণে নিয়োগের মেয়াদ ন্যূনতম দুই বছর রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
- 📌 অভিযোগ প্রতিকার কমিটির সভাপতি হবেন এসআরবির একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালক।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ নামে নতুন একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ‘এসআরবি আইন, ২০২৬’ শীর্ষক একটি খসড়া বিল প্রস্তুত করা হয়েছে। খসড়া আইনে নতুন বাহিনীর কাঠামো, দায়িত্ব, ক্ষমতা, প্রশাসন ও জবাবদিহির বিষয়গুলো নির্ধারণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
খসড়া আইনে উল্লেখ করা হয়েছে, এসআরবি হবে বাংলাদেশ পুলিশের একটি বিশেষায়িত ইউনিট। বাহিনীর সদর দপ্তর ঢাকায় থাকবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে দেশের অন্যত্র ইউনিট স্থাপন করা যাবে। ইউনিটের প্রধান হিসেবে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
প্রস্তাবিত আইনে এসআরবির দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, সংঘবদ্ধ অপরাধ, মাদক, অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক এবং অন্যান্য গুরুতর অপরাধ দমন ও তদন্ত। এ ছাড়া আদালত, সরকার কিংবা পুলিশ মহাপরিদর্শকের নির্দেশে বিশেষ ধরনের মামলা পরিচালনা ও তদন্তেও ইউনিটটি কাজ করতে পারবে। শুধু পুলিশ নয়, অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনী থেকেও সদস্যদের প্রেষণে এনে এই ইউনিট গঠন করা যাবে।
প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ-সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী, নির্ধারিত শর্তে কোনো সদস্যকে এই ইউনিটে প্রেষণে নিয়োগ বা অস্থায়ীভাবে সংযুক্ত করা যাবে। প্রেষণে নিয়োগের মেয়াদ ন্যূনতম দুই বছর রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। খসড়া অনুযায়ী, নির্ধারিত আইন ও বিধিমালার আওতায় এসআরবির সদস্যরা অস্ত্রবহন, তল্লাশি, জব্দ এবং গ্রেপ্তারের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
"খসড়া আইনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য সংযোজন হলো অভিযোগ প্রতিকার কমিটি। র্যাবের বিরুদ্ধে অতীতে ওঠা নানা অভিযোগের প্রেক্ষাপটে, নতুন বাহিনীর জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগ হিসেবে এ কমিটি করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক, এসআরবির মহাপরিচালক, অভিযোগ প্রতিকার কমিটির সদস্যরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ বছর (অভিজ্ঞতা), ২ বছর (প্রেষণে নিয়োগের মেয়াদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!