📌 ঢাকার খিলক্ষেতে অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের বাড়িতে ডিজে পার্টি ও মাদক সেবনের অভিযান চলাকালে ৮৪ জন আটক ও মাদক জব্দের পর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে
ঢাকার খিলক্ষেতে নিজ বাড়িতে ডিজে পার্টির নামে মাদক সেবন ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের অভিযোগে অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। গত ২০ অক্টোবর পুলিশের অভিযানে বাড়ি থেকে মাদক ও অবৈধ সরঞ্জাম জব্দের পর ৮৪ জনকে আটক করা হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের বাড়িতে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৮৪ জন আটক ও মাদক জব্দ
- 📌 অভিযানকালে গাঁজা, ইয়াবা, মদ ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম জব্দ; আফগান নাগরিকও আটক
- 📌 পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ
- 📌 বাড়ির মালিক দাবি, এয়ারবিএনবি তালিকাভুক্ত ছিল; মাদক নিষিদ্ধ থাকলেও ভাড়াটিয়া অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দায় তার ওপর নয়
📰 বিস্তারিত
গত ৩১ অক্টোবর (শনিবার) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপনে জানায়, অতিরিক্ত ডিআইজি (পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট-২) আব্দুল্লাহ আল জহিরের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই ঘটনায় পুলিশ সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি ও জনসম্মুখে পুলিশের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হওয়ায় এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
গত ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) খিলক্ষেত থানাধীন পুলিশ হাউজিং-১ এলাকার তিনতলা বাড়িতে অভিযান চালায়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। বাড়িতে সারা রাত ধরে ডিজে পার্টি, মাদক সেবন ও মাদকের কারবার চলছিল বলে অভিযোগ ছিল। অভিযানে ২৬ নারী ও ৫৮ পুরুষসহ মোট ৮৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে আফগানিস্তানের একজন নাগরিকও ছিলেন। অভিযানকালে বাড়ি থেকে গাঁজা, ইয়াবা, মদ এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
অভিযানকালে বাড়ির মালিক আব্দুল্লাহ আল জহিরকে ওএসডি করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছিল। ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, আব্দুল্লাহ আল জহির এয়ারবিএনবির মাধ্যমে বাড়িটি ভাড়া দিয়েছিলেন। সেখানে মাদক সেবন ও ডিজে পার্টি চলছিল। ডিবির উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ইলিয়াস কবিরের ভাষ্য অনুযায়ী, বাড়িটি একজন হোস্ট ও কো-হোস্টের মাধ্যমে পরিচালিত হতো। এ ঘটনায় কো-হোস্ট মাহবুবুল আলমকে আটক করা হয়েছিল।
বাড়ির মালিক আব্দুল্লাহ আল জহির দাবি করেন, বাড়িটি এয়ারবিএনবি ও ট্রাভেলার প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত ছিল। তিনি বলেন, জন্মদিনের অনুষ্ঠান কিংবা গায়ে হলুদের মতো আয়োজনের জন্য বাড়ির উঠান ভাড়া দেয়া হতো। সেখানে মাদক বা অবৈধ কর্মকাণ্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল। তবে ভাড়া দেয়া বাড়িতে ভাড়াটিয়া অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করলে তার দায় বাড়ির মালিকের ওপর বর্তানো উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি।
"বাড়িটি এয়ারবিএনবি ও ট্রাভেলার প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত ছিল। সেখানে মাদক বা অবৈধ কর্মকাণ্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খিলক্ষেত, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহির, অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম, উপ-পুলিশ কমিশনার ইলিয়াস কবির, কো-হোস্ট মাহবুবুল আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৪ জন আটক, ২৬ নারী, ৫৮ পুরুষ, ২০ অক্টোবর, ৩১ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!