📌 দিনাজপুরের আবদুর রাজ্জাক পিকেএসএফের রেইজ প্রকল্পের মাধ্যমে এসি-ফ্রিজ মেরামত বিষয়ে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেই ব্যবসা শুরু করেন। বর্তমানে তাঁর মাসিক আয় প্রায় লাখ টাকা। প্রকল্পটির মাধ্যমে দেশের লক্ষাধিক তরুণের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন হচ্ছে
দিনাজপুরের আবদুর রাজ্জাক তিন বছর আগেও দৈনিক ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা আয় করতেন দিনমজুরি করে। কিন্তু পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) রেইজ প্রকল্পের মাধ্যমে এসি ও ফ্রিজ মেরামত বিষয়ে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেই ব্যবসা শুরু করেন। বর্তমানে তাঁর মাসিক আয় প্রায় লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
🔴 মূল তথ্য
- 📌 আবদুর রাজ্জাকের বর্তমান মাসিক আয় প্রায় লাখ টাকা।
- 📌 তিন বছর আগেও তাঁর দৈনিক আয় ছিল ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা।
- 📌 আবদুর রাজ্জাকের বয়স ২৭ বছর।
- 📌 তিনি পিকেএসএফের রেইজ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।
- 📌 প্রকল্পটির মাধ্যমে দেশের ১ লাখ ৩ হাজার বেকার তরুণকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
- 📌 ইতিমধ্যে ৬৭ হাজার শিক্ষানবিশ তরুণ প্রশিক্ষণ পেয়েছেন।
- 📌 প্রকল্পটির অর্থায়ন করেছে পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংক মিলে ৫৩ কোটি ২৪ লাখ মার্কিন ডলার।
- 📌 প্রকল্পটির মাধ্যমে দেশের সোয়া চার লাখ তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
দিনাজপুর সদর উপজেলার পাহাড়পুর রোডে অবস্থিত আবদুর রাজ্জাকের বৈদ্যুতিক দোকান। তিন বছর আগেও তিনি দৈনিক ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা আয় করতেন দিনমজুরি করে। কিন্তু ২০২৩ সালের জুলাই মাসে পিকেএসএফের রেইজ প্রকল্পের মাধ্যমে এসি ও ফ্রিজ মেরামত বিষয়ে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ নেন। প্রশিক্ষণ শেষে নিজেই ব্যবসা শুরু করেন তিনি। বর্তমানে তাঁর দোকানে নিয়মিত ছয়জন কর্মী কাজ করছেন।
আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘২০১১ সালে আমার বাবা মারা যান। এরপর অভাবের কারণে পড়াশোনা বন্ধ করে দিই। সংসারের খরচ সামলাতে দীর্ঘদিন দিনমজুরির কাজ করতে হয়েছে। কিন্তু পিকেএসএফের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পরে আমার আর্থিক পরিস্থিতি বদলে গেছে। জীবনে কোনোদিন এক টাকা জমাতে পারিনি। এখন কেউ চাইলে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা ধারও দিতে পারব।’
পিকেএসএফের রেইজ প্রকল্পটি মূলত তিনটি উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে। প্রথমত, ওস্তাদ-শাগরেদ মডেলে শিক্ষানবিশি কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের ১ লাখ ৩ হাজার বেকার তরুণকে প্রশিক্ষণ দেওয়া। ইতিমধ্যে ৬৭ হাজার শিক্ষানবিশ তরুণ এই প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। দ্বিতীয়ত, উদ্যোক্তা উন্নয়নের জন্য দেশের প্রায় সোয়া ২ লাখ তরুণ উদ্যোক্তাকে ব্যবসায় ব্যবস্থাপনার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তৃতীয়ত, করোনা মহামারির সময় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় দেড় লাখ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ ও অর্থায়ন করা হচ্ছে।
"ওস্তাদ-শাগরেদ মডেলে শিক্ষানবিশি কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তোলা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিনাজপুর সদর উপজেলা, পাহাড়পুর রোড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুর রাজ্জাক (২৭ বছর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা (দৈনিক আয়), ২৭ বছর (বয়স), ৬ মাস (প্রশিক্ষণকাল), ১ লাখ ৩ হাজার (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণ), ৬৭ হাজার (প্রশিক্ষিত শিক্ষানবিশ), ৫৩ কোটি ২৪ লাখ মার্কিন ডলার (প্রকল্প অর্থায়ন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!