📌 পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার তহশিলদার মোহাম্মদ আবদুস সোবাহানকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এক ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি ১১৫০ টাকার কাজের বিনিময়ে ৭০ হাজার টাকা দাবি করে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সরকারি ফি বাদ দিয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমির নামজারি বা খতিয়ান খোলার সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগে তহশিলদার মোহাম্মদ আবদুস সোবাহানকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তি একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও, যেখানে দেখা যায়, এক সেবাগ্রহীতার কাছে ৭০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোহাম্মদ আবদুস সোবাহান নামজারি বা খতিয়ান খোলার কাজের বিনিময়ে ৭০ হাজার টাকা দাবি করে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে নোটিশপ্রাপ্ত হন।
- 📌 ভিডিওতে দেখা যায়, সেবাগ্রহীতা মহিউদ্দিন খন্দকার (৪২) ১ হাজার ১৫০ টাকার সরকারি ফির বদলে ৭০ হাজার টাকা দাবি করা হয়।
- 📌 চুক্তি হয় ২০ হাজার টাকায়, কিন্তু শেষে নগদ ১০ হাজার টাকা নেওয়া হয় এবং বাকি টাকা হাতে হাতে দেওয়ার চাপ দেওয়া হয়।
- 📌 অভিযুক্ত তহশিলদার মহিউদ্দিন খন্দকারকে জমি-সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র জমা দেওয়ার দাবি করেননি।
- 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান অভিযোগের প্রতিবেদন জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
📰 বিস্তারিত
চরমোন্তাজ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত তহশিলদার মোহাম্মদ আবদুস সোবাহানকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের মূল ভিত্তি একটি ভিডিও, যেখানে দেখা যায়, সেবাগ্রহীতা মহিউদ্দিন খন্দকার (৪২) ১ হাজার ১৫০ টাকার সরকারি ফির বদলে ৭০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। মহিউদ্দিন বলেন, তিনি চারটি জমির দলিলের নামজারি বা খতিয়ান খুলতে চরমোন্তাজ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়েছিলেন। কিন্তু তহশিলদার ৭০ হাজার টাকা দাবি করেন।
মহিউদ্দিনের কথায়, দর-কষাকষির পর ২০ হাজার টাকায় চুক্তি হয়। তবে শেষে তিনি নগদ ১০ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হন। বাকি ১০ হাজার টাকা বিকাশে দেওয়ার প্রস্তাব করা হলে তহশিলদার হাতে হাতে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে শেষে দুটি দলিলের বিপরীতে একটি খতিয়ান খুলে দেওয়া হয়। মহিউদ্দিন জানান, সরকারি ফির বাবদ ১ হাজার ১৫০ টাকা পরিশোধ করতে চাপ দেওয়া হয়, কিন্তু তিনি তা করেননি।
তহশিলদার মোহাম্মদ আবদুস সোবাহান অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, মহিউদ্দিন তাঁর কাছে আসেননি এবং জমি-সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়নি। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান জানান, ভিডিও দেখে তহশিলদারের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, অভিযোগের বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
"১ হাজার ১৫০ টাকার কাজে ৭০ হাজার টাকা লাগবে কেন? এত টাকা দিতে হলে তো জমি বিক্রি করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পটুয়াখালী, রাঙ্গাবালী উপজেলা, চরমোন্তাজ ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আবদুস সোবাহান (তহশিলদার), মহিউদ্দিন খন্দকার (৪২), নাজমুল হাসান (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ হাজার টাকা (দাবি), ১ হাজার ১৫০ টাকা (সরকারি ফি), ২০ হাজার টাকা (চুক্তি), ১০ হাজার টাকা (নগদ), ৪২ বছর (মহিউদ্দিনের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!