📌 বেকারি পণ্যের (বিস্কুট ও রুটি) মূল্যবৃদ্ধি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ব্যবসায়ী নেতারা এই সিদ্ধান্ত নেন। সরকার কাঁচামাল ও উৎপাদন খরচ পর্যালোচনার জন্য কমিটি গঠন করেছে
বেকারি পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত বৈঠকে ব্যবসায়ী নেতারা এই সিদ্ধান্ত নেন। বেকারি খাতের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় সরকার।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৫ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ব্যবসায়ী নেতারা বিস্কুট ও ব্রেডের মূল্যবৃদ্ধি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেন।
- 📌 ২০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধির পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু ব্যবসায়ী নেতারা তা আপাতত স্থগিত রাখার সম্মতি দেন।
- 📌 ৭ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নেতৃত্বে একটি কমিটি প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
- 📌 ১২ সেপ্টেম্বর থেকে রুটি ও বিস্কুটের দাম ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আগে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতো, বর্তমানে ১৫০ টাকা করা হয়েছে।
- 📌 ৪০ গ্রাম ওজনের বনরুটি ও মাফিন কেকের ওজন ৩৫ গ্রাম করা হয়েছে, দাম একই রেখে ওজন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
- 📌 ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বেকারি কারখানাগুলোতে উৎপাদন বন্ধ ছিল।
- 📌 ২৬০.৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
📰 বিস্তারিত
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে বেকারি পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় ব্যবসায়ীদের ক্ষতিগ্রস্ত না করে জনস্বার্থ ও ভোক্তাদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যৌক্তিক মূল্যে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।
বৈঠকে আলোচনা হয় কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধি ও উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে। ব্যবসায়ীরা জানান, হাতে তৈরি বেকারি বিস্কুটের দাম কেজিতে গড়ে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আগে সাধারণ মানের বিস্কুট ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতো, বর্তমানে তা ১৫০ টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে, বনরুটি ও অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রে দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি ওজনেও পরিবর্তন এনে সমন্বয় করা হয়েছে। আগে ৪০ গ্রাম ওজনের বনরুটি ও মাফিন কেকের ওজন ৩৫ গ্রাম করা হয়েছে। আবার ১০ বা ১২ টাকা দামের প্রতি পিছ বনরুটির দাম বাড়িয়ে ১৫ টাকা করা হয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলা এবং বেকারি পণ্য ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সচিব মো. আতাউর রহমান খানও সভায় অংশ নেন। এদিকে, কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধি ও উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে রুটির দাম বাড়ানো হয়েছিল। তবে, দাম বাড়ানোর দাবিতে গত ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বেকারি কারখানাগুলোতে উৎপাদন বন্ধ ছিল।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইনে মঙ্গলবার সরবরাহ আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এদিন বিকেল ৪টায় জাতীয় গ্রিডে ২৬০.৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়, যা আগের দিনের তুলনায় ২৩৪.৫৩ কোটি ঘনফুট থেকে বেশি।
"ব্যবসায়ীদের ক্ষতিগ্রস্ত না করে জনস্বার্থ ও ভোক্তাদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রাজধানী)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সচিব মো. আতাউর রহমান খান, নাসির উদ দৌলা, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ সেপ্টেম্বর, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০ শতাংশ, ২০ টাকা, ১৩০ টাকা, ১৫০ টাকা, ৪০ গ্রাম, ৩৫ গ্রাম, ২৬০.৬ কোটি ঘনফুট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!