📌 মক্কার কাছে ড্রোন হামলা সৌদি আরবের 'কালো অধ্যায়' হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হুতি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার হুশিয়ারি দিয়েছে। ওআইসি এই হামলাকে পবিত্র স্থান লঙ্ঘন হিসেবে নিন্দা করেছে
মক্কার কাছে ড্রোন হামলার চেষ্টাকে সৌদি আরবের 'কালো অধ্যায়' হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানিয়েছেন, এই হামলা ইরানপন্থি হুতি গোষ্ঠীর লঙ্ঘনের তালিকায় আরেকটি অধ্যায় হিসেবে থাকবে। তিনি বলেছেন, এই প্রচেষ্টা মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত করার পরিকল্পিত কর্মকাণ্ড। সৌদি আরব হুতি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সৌদি আরবের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি বলেছেন, মক্কার কাছে ড্রোন হামলা 'কালো অধ্যায়' হিসেবে চিহ্নিত হবে এবং মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত করার পরিকল্পিত কর্মকাণ্ড
- 📌 সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হুতি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে 'প্রয়োজনীয় ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা' নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে
- 📌 ওআইসি (৫৭টি মুসলিম দেশের জোট) এই হামলাকে 'পবিত্র স্থান ও মসজিদের মর্যাদা লঙ্ঘন' হিসেবে নিন্দা করেছে
- 📌 মক্কার কাছে ড্রোন ভূপাতিতের ঘটনা ঘটেছে যখন ইয়েমেন ও সৌদি আরবের মধ্যে সংঘাত তীব্র হচ্ছে
- 📌 গত সপ্তাহে হুতি গোষ্ঠী ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের একটি বন্দরনগরী ও দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেয়
📰 বিস্তারিত
মক্কার কাছে ড্রোন হামলার চেষ্টাকে সৌদি আরবের 'মুসলিমদের অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে চালানো পরিকল্পিত উসকানি' হিসেবে আখ্যায়িত করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজের প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করে বলেন, 'এই শত্রুতাপূর্ণ প্রচেষ্টা উগ্র সন্ত্রাসী বাহিনী হুতি মিলিশিয়ার লঙ্ঘনের তালিকায় আরেকটি 'কালো অধ্যায়' হিসেবে থেকে যাবে। এটি লাখো মুসলমানের অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে করা একটি পরিকল্পিত কর্মকাণ্ড।'
সৌদি আরব হুতি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে 'প্রয়োজনীয় ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা' নেওয়ার অঙ্গীকারও করেছেন। ওআইসি (ওরগানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন) এই হামলাকে 'পবিত্র স্থান ও মসজিদের মর্যাদা লঙ্ঘন' হিসেবে নিন্দা জানিয়েছে। ওআইসি ৫৭টি মুসলিম দেশের জোট, যা বিশ্বের প্রায় ১৫০ কোটি মুসলমানের প্রতিনিধিত্ব করে। তারা বলেছেন, এ ধরনের হামলার চেষ্টা নিরীহ বেসামরিক মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।
মক্কার কাছে ড্রোন ভূপাতিতের ঘটনা ঘটেছে এমন সময়ে, যখন ইয়েমেন ও সৌদি আরবের মধ্যে নতুন করে সংঘাত তীব্র হচ্ছে। গত সপ্তাহের শুরুতে হুতি গোষ্ঠী সৌদি আরবের খামিস মুশাইত, আভা ও তাইফ শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেছে রিয়াদ। এসব হামলায় ১৩ জন বেসামরিক মানুষ আহত হন। এর আগে, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সৌদি সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দায়ও স্বীকার করে হুতি গোষ্ঠী। পাল্টা হিসেবে, হুতি গোষ্ঠী দাবি করেছে, গত শনিবার ও মঙ্গলবার সৌদি বাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের বিরুদ্ধে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে হুতি গোষ্ঠী। তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকার পরিধিও বাড়িয়েছে। গত সপ্তাহে, ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের একটি বন্দরনগরী এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি নৌপথের কাছের একটি দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেয় গোষ্ঠীটি।
"এই শত্রুতাপূর্ণ প্রচেষ্টা উগ্র সন্ত্রাসী বাহিনী হুতি মিলিশিয়ার লঙ্ঘনের তালিকায় আরেকটি 'কালো অধ্যায়' হিসেবে থেকে যাবে। এটি লাখো মুসলমানের অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে করা একটি পরিকল্পিত কর্মকাণ্ড।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মক্কা (সৌদি আরব), ইয়েমেন, লোহিত সাগর উপকূল, সৌদি আরবের খামিস মুশাইত, আভা ও তাইফ শহর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তুর্কি আল-মালিকি (সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র), হুতি গোষ্ঠী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৭টি দেশের ওআইসি, ১৫০ কোটি মুসলমান, ১৩ জন আহত বেসামরিক মানুষ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!