📌 পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গোপন ভিডিও ধারণের অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়েছে। তারা নিজেদের সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। পাশাপাশি জামালপুরের একটি যুবদল নেতা গ্রেপ্তার করা হয়েছে
পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গোপন ভিডিও ধারণের অভিযোগে দুজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের কক্ষের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। এই ঘটনায় সাংবাদিকতা দাবি করে তারা নিজেদের পরিচয় দিয়েছেন। পাশাপাশি জামালপুরের একটি যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা পুলিশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গোপন ভিডিও ধারণের অভিযোগে মো. রিয়াজ উদ্দিন ও মো. শহীদ বাদশা সবুজকে আটক করা হয়েছে
- 📌 আটক দুজন নিজেদের 'ক্রাইম পেট্রোল' ও 'প্রাণের বাংলাদেশ' পত্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন
- 📌 জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) মো. আকিব রায়হান জানান, তাদের মোবাইল ফোনে গোপন ভিডিও ধারণের অ্যাপ ছিল
- 📌 জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ভাটারা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
- 📌 পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, আটক দুজনকে থানায় নেওয়া হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে
📰 বিস্তারিত
পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গোপন ভিডিও ধারণের অভিযোগে দুজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের কক্ষের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক দুজন হলেন মো. রিয়াজ উদ্দিন ও মো. শহীদ বাদশা সবুজ। তারা নিজেদের 'ক্রাইম পেট্রোল' ও 'প্রাণের বাংলাদেশ' পত্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) মো. আকিব রায়হান জানান, জেলা প্রশাসকের কক্ষে দাপ্তরিক কাজ চলাকালে সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা যায়, কক্ষের বাইরে দুজন ব্যক্তি প্রশাসনের কর্মীদের সঙ্গে হট্টগোল করছেন। তাদের আচরণ ও গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে বিষয়টি নজরে আসে। পরে তাদের তল্লাশি করে মো. রিয়াজ উদ্দিনের জামার বুকপকেট থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এনডিসির দাবি, ফোনটিতে একটি অ্যাপের মাধ্যমে ভিডিও রেকর্ডিং চালু ছিল এবং তিনি গোপনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম ধারণ করছিলেন।
আটক দুজন দাবি করেছেন, তারা একটি অভিযোগ নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। অভিযোগের বিষয়ে একাধিক কর্মকর্তার টেবিলে পাঠানোয় তারা হয়রানির শিকার হন বলে দাবি করেন। পরে বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানাতে তাঁর কক্ষের সামনে গেলে অফিসের কর্মীরা তাঁদের ভেতরে প্রবেশে বাধা দেন। গোপনে ভিডিও ধারণের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা ভুল হয়েছে বলে স্বীকার করেন। পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, আটক দুজনকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পাশাপাশি, জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ভাটারা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলমকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি-১) পুলিশ। শাহ আলম ভাটারা পূর্বপাড়া এলাকার মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে।
"জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) মো. আকিব রায়হান জানান, ফোনটিতে একটি অ্যাপের মাধ্যমে ভিডিও রেকর্ডিং চালু ছিল এবং তিনি গোপনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম ধারণ করছিলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রিয়াজ উদ্দিন, মো. শহীদ বাদশা সবুজ, শাহ আলম, মো. আকিব রায়হান, মনিরুজ্জামান
- 📌 গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: গোপন ভিডিও ধারণের অ্যাপ জব্দ, সাংবাদিকতা দাবি, যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!