📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ তদন্ত: চিফ প্রসিকিউটরের সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ তদন্ত: চিফ প্রসিকিউটরের সতর্কবার্তা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো.আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, কিছু সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত চলছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে উসকানিমূলক বক্তব্য দানের অভিযোগে তিন সাংবাদিক গ্রেপ্তার রয়েছে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো.আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, কিছু সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত চলছে। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের কাছে কতিপয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যারা তৎকালীন সরকারের সময় বিভিন্ন অপকর্মকে সহায়তা করেছিল।’

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো.আমিনুল ইসলামের মতে, কিছু সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত চলছে
  • 📌 জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দানের অভিযোগে তিন সাংবাদিক গ্রেপ্তার: শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা
  • 📌 শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যাকাণ্ডের মামলায় মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে আসামি করা হয়েছে
  • 📌 মেজর (অব.) সাব্বির রহমান ওসমানীর জবানবন্দিতে উল্লেখিত হয়েছে, সাংবাদিকরা জিয়াউল আহসানের ‘এনকাউন্টার’ অভিযানে অংশগ্রহণ করেছিলেন
  • 📌 সাক্ষী সাব্বির রহমান ওসমানী বলেছেন, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের বুলেট প্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে পৃথক ট্রলারে রাখা হতো

📰 বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর মো.আমিনুল ইসলাম জানান, জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর (অব.) মো.সাব্বির রহমান ওসমানী ১৩তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন। সাক্ষীর জবানবন্দিতে সাংবাদিকদের প্রসঙ্গ টেনে বলা হয়, ‘আমাদের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ইনভেস্টিগেশন চলছে এবং পরবর্তীকালে আজকের সাক্ষীর সাক্ষ্য সহায়ক হিসেবে কাজ করতে পারে।’

২০১২ সালের মার্চ মাসে জিয়াউল আহসানের নির্দেশে সুন্দরবনের ভোলা নদীসংলগ্ন মরা ভোলা এলাকায় পরিচালিত ত্রিমাত্রিক অভিযানে সাংবাদিকদের অংশগ্রহণের কথা উঠে এসেছে। সাক্ষী সাব্বির রহমান ওসমানী বলেন, অভিযান পরিচালনার আগের রাতে র‌্যাব গোয়েন্দা সদস্যদের একটি দল আগেই মরা ভোলার উদ্দেশে রওনা দেয়। অভিযানস্থল চিহ্নিত করে এলাকা ঘিরে ফেলার সময় বনের ভেতর থেকে ২ থেকে ৩টি গুলির শব্দ শোনা যায়। এই শব্দ শুনে জিয়াউল আহসানের নির্দেশে মূল আভিযানিক দল বন লক্ষ্য করে গুলি শুরু করে। প্রায় ৩০ মিনিট পর গুলি থামে। স্থানীয় থানা-পুলিশের মাধ্যমে বন তল্লাশি করে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অস্ত্র, গোলাবারুদ ও পাঁচটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

সাক্ষী আরও উল্লেখ করেন, এই অভিযানে র‌্যাব সদর দপ্তরের তৎকালীন এডিজি (অপস) কর্নেল মুজিব, আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মোহাম্মদ সোহায়েল এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেছিলেন। সাংবাদিকদের বুলেট প্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে পৃথক ট্রলারে করে মূল আভিযানিক দলের একদম শেষের দিকে রাখা হতো। ফায়ারিং শেষে তল্লাশি অভিযান পরিচালনার সময় জিয়াউল আহসান ও সোহায়েল সাংবাদিকদের নিয়ে ঘটনাস্থল ঘুরে দেখতেন।

"আমাদের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ইনভেস্টিগেশন চলছে এবং পরবর্তীকালে আজকের সাক্ষীর সাক্ষ্য সহায়ক হিসেবে কাজ করতে পারে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণ, ঢাকা; বরিশাল (র‌্যাব-৮); মরা ভোলা (সুন্দরবন)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো.আমিনুল ইসলাম (চিফ প্রসিকিউটর), মোজাম্মেল বাবু, শ্যামল দত্ত, ফারজানা রুপা, মেজর (অব.) সাব্বির রহমান ওসমানী, জিয়াউল আহসান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩তম সাক্ষী, ১৭ আগস্ট, ১৪ জুলাই, ৫ মে, ২-৩টি গুলি, ৩০ মিনিট, ৫টি মৃতদেহ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖