📌 ইসলামী বক্তা ড. সৈয়দ মুহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী সাংবাদিকদের পেটানোর হুমকি ও অবমাননাকর বক্তব্যের জন্য আইনি নোটিশ পেয়েছেন। নোটিশে সাংবাদিকতা পেশার বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য ও হুমকির জন্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের হুমকি দেওয়া হয়েছে
সাংবাদিকদের পেশাকে অবমাননাকর বক্তব্য ও হুমকির মাধ্যমে আক্রমণ করার অভিযোগে ইসলামী বক্তা ড. সৈয়দ মুহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশ প্রাপ্তির সাত দিনের মধ্যে তিনি বক্তব্য প্রত্যাহার ও ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে, অন্যথায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাঁদপুরের মতলব উপজেলায় ১৯ অক্টোবর মাদ্রাসায় বক্তব্যে সাংবাদিকদের "কুত্তার মতো পেটানো দরকার" বলে অবমাননাকর বক্তব্য দিয়েছেন আব্বাসী।
- 📌 সাংবাদিকদের "হলুদ সাংবাদিকতা" ও বিদেশি ইন্টেলিজেন্সের পয়সায় কাজ করার অভিযোগ উঠিয়েছেন তিনি।
- 📌 সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খাদেমুল ইসলামের মাধ্যমে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
- 📌 নোটিশে বলা হয়েছে, বক্তব্যটি সাংবাদিকতা পেশার জন্য মানহানিকর ও নিরাপত্তার হুমকি সৃষ্টি করেছে।
📰 বিস্তারিত
রোববার (২৫ অক্টোবর) নিম্ন আদালতে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম সুজনের পক্ষে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৯ অক্টোবর চাঁদপুর জেলার মতলব উপজেলার নিশ্চিন্তপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়া মাহফিলে আব্বাসী বক্তব্য দিয়েছিলেন। তার বক্তব্যে তিনি সাংবাদিকদের "সাংঘাতিক" বলে অভিহিত করে তাদের পেশাকে অবমাননা করেছেন।
আব্বাসী বলেছিলেন, "একটা যুবক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থেকে তার বাহিনী নিয়ে মাদক সিন্ডিকেটের চেইন ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেছে। সাংবাদিকরা ইতিবাচক সংবাদ প্রচার করে নাই, বরং পিস্তল নিয়ে দৌড়িয়েছে।" তিনি আরও দাবি করেছেন, "এরা হলুদ সাংবাদিকতা করে, বিদেশি ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ কর্তৃক পয়সায় চলে। বাংলাদেশ ভালো হোক এটা তারা চায় না।"
নোটিশে বলা হয়েছে, এই বক্তব্যগুলি সাংবাদিকদের পেশাকে অবজ্ঞা করে মানহানি সৃষ্টি করেছে এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ। সাংবাদিকদের পেটানোর হুমকি দিয়ে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
"সবচেয়ে খারাপ বাংলাদেশের সাংবাদিকগুলো। এগুলোকে কুত্তার মতো পেটানো দরকার।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁদপুর জেলার মতলব উপজেলা, নিশ্চিন্তপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. সৈয়দ মুহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী, আজহারুল ইসলাম সুজন, খাদেমুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ অক্টোবর ২০২৬ (নোটিশ পাঠানো তারিখ), ১৯ অক্টোবর ২০২৬ (বক্তব্য দেওয়া তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!