📌 ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জে আন্দোলনকালে শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির গুলিতে আহত ‘জুলাই যোদ্ধা’ কাউসার আহমেদের পায়ে গুলি লাগে। শামীম ওসমানের নির্দেশে খানপুর হাসপাতালে চিকিৎসা বাদ দেওয়া হয়। সাক্ষী জবানবন্দিতে বলেন, নিহত হয়েছিলেন সুজন নামের একজন আন্দোলনকারী
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকালে শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির গুলিতে আহত ‘জুলাই যোদ্ধা’ কাউসার আহমেদের পায়ে গুলি লাগে। সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিতে গিয়ে তিনি জানান, শামীম ওসমানের নির্দেশে আহত অবস্থায় তাঁকে খানপুর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ দায়ের করা জবানবন্দিতে তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানোর পর তাঁকে ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া মোড়ে শামীম ওসমানসহ ২০-২৫ জন সশস্ত্র ব্যক্তি আন্দোলনকারীদের ওপর আক্রমণ চালায়। আক্রমণকারীদের মধ্যে ছিলেন শামীম ওসমান, অয়ন ওসমান, আজমেরী ওসমান, টিটু, শাহ নিজাম, ফাইজুল, নিয়াজুল, টিপু, দিপু ও সাইদ।
- 📌 কাউসার আহমেদের বাঁ পায়ে গুলি লাগে এবং তিনি রাস্তায় পড়ে যান। শামীম ওসমানের নির্দেশে খানপুর হাসপাতালে তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি।
- 📌 ৮ আগস্ট ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করে গুলি বের করা হয়।
- 📌 সাক্ষী জবানবন্দিতে বলেন, সেদিন নারায়ণগঞ্জে সুজন নামের একজন আন্দোলনকারী নিহত হন।
- 📌 কাউসার বলেন, শামীম ওসমান নারায়ণগঞ্জের ‘গডফাদার’ ছিলেন এবং তাঁর নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা বহু আন্দোলনকারীকে হতাহত করেন।
- 📌 এই মামলার ১২ আসামির সবাই পলাতক।
📰 বিস্তারিত
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার সাক্ষী হিসেবে ‘জুলাই যোদ্ধা’ কাউসার আহমেদ জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি নারায়ণগঞ্জ মহানগর শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং গেজেটভুক্ত ‘গ’ শ্রেণির আহত ‘জুলাই যোদ্ধা’।
জবানবন্দিতে কাউসার বলেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে তিনি নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া মোড়ে আন্দোলনে যোগ দেন। বেলা পৌনে দুইটার দিকে শামীম ওসমানের বাড়ির সামনে ২০ থেকে ২৫ জন সশস্ত্র ব্যক্তি তাঁদের ওপর আক্রমণ চালান। আক্রমণকারীদের হাতে ছিল দেশি-বিদেশি অস্ত্র। তাঁদের ছোড়া গুলি তাঁর বাঁ পায়ে লাগে এবং তিনি রাস্তায় পড়ে যান।
তিনি বলেন, শামীম ওসমানের নির্দেশে খানপুর হাসপাতালে তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। এরপর তাঁকে ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ৮ আগস্ট অস্ত্রোপচার করে গুলি বের করা হয়। তিনি উল্লেখ করেন, সেদিন নারায়ণগঞ্জে অনেকে এই মামলার আসামিদের গুলিতে আহত হয়েছিলেন এবং সুজন নামের একজন আন্দোলনকারী নিহত হন।
"শামীম ওসমান নারায়ণগঞ্জের ‘গডফাদার’ ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে উল্লিখিত সন্ত্রাসীরা নারায়ণগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া বহু মানুষকে হতাহত করেন। তাঁকে গুলি করে আহত করাসহ অন্যান্য আন্দোলনকারীদের হতাহত করার জন্য এই মামলার আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া মোড়, খানপুর হাসপাতাল, ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাউসার আহমেদ, শামীম ওসমান, অয়ন ওসমান, আজমেরী ওসমান, টিটু, শাহ নিজাম, ফাইজুল, নিয়াজুল, টিপু, দিপু, সাইদ, সুজন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ আসামি, ২০-২৫ জন সশস্ত্র ব্যক্তি, ৫ আগস্ট ২০২৪, ৮ আগস্ট ২০২৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!