📌 সাভারের আশুলিয়ায় বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কারণে স্বামী-স্ত্রী ও গর্ভস্থ সন্তানকে হত্যার ঘটনায় পুলিশ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
সাভারের আশুলিয়ায় বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে স্বামী-স্ত্রী ও গর্ভস্থ সন্তানকে হত্যার ঘটনায় পুলিশ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ সুপার এন এম মোর্শেদের তথ্য অনুযায়ী, আসামি মনিরুজ্জামান (৪৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নিহত দম্পতি: আলমগীর কবির (৪৫) ও তাঁর স্ত্রী নাজমা খাতুন (৩৯) এবং তাঁদের গর্ভস্থ সন্তান
- 📌 হত্যাকারী: মনিরুজ্জামান ওরফে হৃদয় (৪৪), যিনি নাজমার সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িত ছিলেন
- 📌 হত্যার ঘটনা: আলমগীর ও মনিরুজ্জামানের মধ্যে মারামারি চলাকালে নাজমার পেটে লাথি মারা হলে সন্তান মারা যায়
- 📌 মামলা: নাজমার বড় বোন শাপলা বেগম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা করেন, পরে পুলিশ মনিরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে
- 📌 স্বীকারোক্তি: আসামি ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
গত শনিবার সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় একটি ভবনের দোতলার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে আলমগীর কবির (৪৫) ও তাঁর স্ত্রী নাজমা খাতুন (৩৯) মরদেহ এবং মৃত ভ্রূণ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, নাজমার সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িত মনিরুজ্জামান (৪৪) তাঁদের হত্যা করেছেন। ঘটনার পরদিন নাজমার বড় বোন শাপলা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা করেন।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকা থেকে মনিরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে পুলিশ হৃদয়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহত নাজমার পার্স, সিমসহ মুঠোফোন ও পরিচয়পত্র উদ্ধার করে। পুলিশ সুপার এন এম মোর্শেদের তথ্য অনুযায়ী, আসামি মনিরুজ্জামানের সঙ্গে নাজমার সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানার পর আলমগীরের সঙ্গে মনিরুজ্জামানের বিরোধ তৈরি হয়। ঘটনার দিন নাজমা ও আলমগীর আসামি মনিরুজ্জামানের বাসায় গিয়ে তাঁকে তাঁদের বাসায় নিয়ে আসেন। সেখানে কথা-কাটাকাটির পর আলমগীর ও মনিরুজ্জামানের মধ্যে মারামারি হয়। একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা নাজমার পেটে লাথি মারা হলে সন্তানটি মারা যায়। তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে হত্যা করে পালিয়ে যান মনিরুজ্জামান।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় আর কোনো ব্যক্তি জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ঢাকা জেলা কার্যালয়ে গতকাল বুধবার একটি সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার এন এম মোর্শেদ।
"আসামি মনিরুজ্জামানের সঙ্গে নাজমার সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানার পর আলমগীরের সঙ্গে মনিরুজ্জামানের বিরোধ তৈরি হয়। ঘটনার দিন নাজমা ও আলমগীর আসামি মনিরুজ্জামানের বাসায় গিয়ে তাঁকে তাঁদের বাসায় নিয়ে আসেন। সেখানে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আলমগীর ও মনিরুজ্জামানের মধ্যে মারামারি হয়। একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা নাজমার পেটে লাথি মারা হলে সন্তানটি মারা যায়। তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে হত্যা করে পালিয়ে যান মনিরুজ্জামান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাভারের আশুলিয়া, জামগড়া এলাকা ও নরসিংহপুর এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনিরুজ্জামান ওরফে হৃদয় (৪৪), আলমগীর কবির (৪৫), নাজমা খাতুন (৩৯), পুলিশ সুপার এন এম মোর্শেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ (আলমগীরের বয়স), ৩৯ (নাজমার বয়স), ৪৪ (মনিরুজ্জামানের বয়স), ১৬৪ (ধারা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!