📌 মৌলভীবাজারের বড়লেখা ও জুড়ী থানায় প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা অসুস্থ ছেলেকে সুস্থ করার ভান করে দুই দফায় ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ করেছিল। পুলিশ উদ্ধার করেছে আত্মসাৎকৃত সব স্বর্ণ
মৌলভীবাজারের বড়লেখা ও জুড়ী থানায় প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা অসুস্থ ছেলেকে সুস্থ করার ভান করে দুই দফায় মোট ৫ ভরি ৬ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ করেছিল। পুলিশ উদ্ধার করেছে আত্মসাৎকৃত সব স্বর্ণালংকার।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৌলভীবাজারের বড়লেখা ও জুড়ী থানায় প্রতারক চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
- 📌 তারা অসুস্থ ছেলেকে সুস্থ করার ভান করে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ করেছিল
- 📌 উদ্ধার করা হয়েছে ৫ ভরি ৬ আনা ওজনের আত্মসাৎকৃত স্বর্ণালংকার
- 📌 গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন করবুল নেছা (৬০), তাজ উদ্দিন (৪৫), বিজয় বৈদ্য (৪৮) ও রিপন মিয়া (৩৮)
- 📌 গ্রেপ্তারকৃতদের হেফাজত থেকে আত্মসাৎকৃত স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মৌলভীবাজারের বড়লেখা ও জুড়ী থানায় প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা অসুস্থ ছেলেকে সুস্থ করার ভান করে দুই দফায় মোট ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ করেছিল। পুলিশ উদ্ধার করেছে আত্মসাৎকৃত সব স্বর্ণালংকার। গতকাল রাতে জেলার বড়লেখা ও জুড়ী থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সূত্রে জানা যায়, গত ৩ আগস্ট অজ্ঞাতনামা এক নারী বড়লেখা উপজেলার হিনাইনগর গ্রামের রোকেয়া বেগমকে ফোন করে জানান, তাঁর অসুস্থ ছেলেকে কথিত জিন্নী হুজুর সুস্থ করে দিতে পারবেন। তবে এ জন্য কিছু শর্ত মানতে হবে এবং বিষয়টি কাউকে জানানো যাবে না। ছেলের সুস্থতার আশায় ভুক্তভোগী বসতঘরের পেছনে ডিপ টিউবওয়েলের ম্যানহোলের ঢাকনার ওপর একটি পরিষ্কার বাটিতে স্বর্ণালংকার রেখে আসেন। দুই ঘণ্টা পর ফিরে গিয়ে দেখেন, স্বর্ণালংকারগুলো নেই। পরে ওই নারীকে ফোন করলে জানানো হয়, জিন্নী মুমিন স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছেন।
এক মাসের মধ্যে তাঁর ছেলে সুস্থ হবে এবং স্বর্ণালংকার ফেরত পাবেন বলে ভয় দেখানো হয়। এর কিছুদিন পর গত ১৬ অক্টোবর একই নারী পুনরায় ফোন করে আরও স্বর্ণালংকার একই স্থানে রাখতে বলেন। এবার স্বর্ণালংকার না রাখলে ছেলে পাগল হয়ে যাবে এবং রাখলে এক ঘণ্টার মধ্যে আগের স্বর্ণালংকারসহ সব ফেরত পাওয়া যাবে বলে ভয় দেখানো হয়। ছেলের ক্ষতির আশঙ্কায় ভুক্তভোগী দ্বিতীয় দফায়ও স্বর্ণালংকার রেখে আসেন। কিন্তু এবারও ফিরে গিয়ে সেগুলো পাননি। এভাবে দুই দফায় ভুক্তভোগীর কাছ থেকে মোট ৫ ভরি ৬ আনা ২ রতি ২ পয়েন্ট ওজনের স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ করা হয়। এর আনুমানিক মূল্য ১১ লাখ ৭৪ হাজার ৭১২ টাকা।
তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শেখ কামরুল ইসলামসহ পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে প্রথমে বড়লেখা উপজেলার আহমদপুর ও হিনাইনগর এলাকা থেকে করবুল নেছা ও তাজ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেন। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জুড়ী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিজয় বৈদ্য ও রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে আত্মসাৎকৃত স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
"গ্রেপ্তারকৃত চারজনকে ২ নভেম্বর বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মৌলভীবাজার জেলা (বড়লেখা ও জুড়ী থানা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: করবুল নেছা (৬০), তাজ উদ্দিন (৪৫), বিজয় বৈদ্য (৪৮), রিপন মিয়া (৩৮), এসআই শেখ কামরুল ইসলাম, ওসি মনিরুজ্জামান খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ সদস্য, ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা, ৫ ভরি ৬ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!