📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১:১৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঝিকরগাছা শিক্ষক মামুনুর রশিদের মৃত্যু: মায়ের গলা কেটে হত্যার আসামি হৃদ্রোগে মারা যান কারাগারে

ঝিকরগাছা শিক্ষক মামুনুর রশিদের মৃত্যু: মায়ের গলা কেটে হত্যার আসামি হৃদ্রোগে মারা যান কারাগারে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঝিকরগাছা উপজেলার শিক্ষক মামুনুর রশিদ (৪৫) মায়ের গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি হিসেবে কারাগারে বন্দী থাকাকালীন হৃদ্রোগে মারা যান। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টায় তার মৃত্যু হয়

ঝিকরগাছা উপজেলার ইংরেজি শিক্ষক মামুনুর রশিদ (৪৫) মায়ের গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি হিসেবে কারাগারে বন্দী থাকাকালীন হৃদ্রোগে মারা যান। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রোববার রাত ৮টায় তার মৃত্যু হয়। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহম্মেদ সোমবার রাতে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মামুনুর রশিদ (৪৫) যশোর কারাগারে বন্দী থাকাকালীন হৃদ্রোগে মারা যান
  • 📌 খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টায় মৃত্যু
  • 📌 মামুন ২৭ আগস্ট মায়ের গলা কেটে হত্যা করে, পরে পুলিশ গ্রেপ্তার করে
  • 📌 মামুন দুটি বিয়ে করেছিলেন, দুই স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মায়ের দায়ে মানসিক সমস্যা
  • 📌 মামুন যশোর সদর উপজেলার বাজে দুর্গাপুর গ্রামের আলতাফ হোসেন মাস্টারের ছেলে

📰 বিস্তারিত

মামুনুর রশিদ ঝিকরগাছা উপজেলার লাউজানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক ছিলেন। তিনি ২৮ অক্টোবর যশোর কারাগারে বন্দী অবস্থায় হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন। ওই দিন তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রোববার রাত ৮টায় তার মৃত্যু হয়।

মামুনুর রশিদের মায়ের গলা কেটে হত্যার মামলায় কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল। স্থানীয়দের ভাষ্য, মামুন দুটি বিয়ে করেছিলেন। আট-নয় বছর আগে সদর উপজেলার ভেকুটিয়া এলাকায় প্রথম বিয়ে করেন তিনি। পরে দাম্পত্য কলহের জেরে বিচ্ছেদ হয়। এরপর ঝিকরগাছার অমৃতবাজার এলাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করেন। প্রায় ছয় বছর আগে দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গেও বিচ্ছেদ হয়। দুই স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের জন্য মামুন মাকে দায়ী করতেন। এ নিয়ে মায়ের সঙ্গে তাঁর আগেও বিরোধ ও মারধরের ঘটনা ঘটেছিল বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসীরা।

পারিবারিক অশান্তির কারণে মামুন মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। দীর্ঘদিন পর ২৭ আগস্ট বাড়িতে ফেরেন তিনি। বাড়িতে ফিরে ওই দিন বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মায়ের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। উত্তেজিত হয়ে ধারালো বটি দিয়ে মাকে মাটিতে ফেলে গলায় কোপ দেন মামুন। এতে মা আনোয়ারা বেগমের মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে বটি ফেলে পালিয়ে যান মামুন। পরে পুলিশ তাঁকে আটক করে।

"গত ২৮ অক্টোবর যশোর কারাগারে বন্দী অবস্থায় হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন মামুন। ওই দিন তাঁকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন তাঁর মৃত্যু হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যশোর সদর উপজেলা, ঝিকরগাছা উপজেলা, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মামুনুর রশিদ (৪৫), আনোয়ারা বেগম, আবিদ আহম্মেদ, আলতাফ হোসেন মাস্টার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ বছর, ২৮ অক্টোবর, ২৭ আগস্ট, ৮ টা রাত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖