📌 মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা দাবিতে সংঘর্ষে পুলিশের ওপর হামলা, ট্রাফিক পুলিশ বক্স ভাঙচুর ও সরকারি গাড়িতে আগুন দেওয়ার অভিযোগে তিন মামলায় ২৬ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীদের মধ্যে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ছিলেন
মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা দাবিতে সংঘর্ষে পুলিশের ওপর নাশকতার অভিযোগে তিন মামলায় ২৬ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছে ঢাকার মেট্রোপলিটন আদালত। সোমবার (২ নভেম্বর) আদালতের নির্দেশে পুলিশের ওপর হামলা, কর্তব্যকাজে বাধা, ট্রাফিক পুলিশ বক্স ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণ ও সরকারি গাড়িতে আগুন দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের কারাগারে আটক রাখা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিরপুর ও পল্লবী থানায় পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে সংঘর্ষে পুলিশের ওপর নাশকতার অভিযোগে ২৬ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে
- 📌 পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীদের মধ্যে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ছিলেন
- 📌 মামলায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে: ওলিউল্লাহ অনিক (২০), কামাল গাজী (৩২), আলিফ হোসেন ইমন (২৬), রমজান সরকার (১৯), জুবায়ের ইসলাম ওরফে জিসান (২২), আরিফ আকন্দ (২৯), মোয়াজ্জেম শাহরিয়ার নিয়াজ (২৬), আরিফ (১৯), নাহিদ হাসান (১৮), মাহবুবুর রহমান জুয়েল (৩৮), শামীম (২৩), সুমন গাজী (২৮), ইউসুফ আলী (২২), রাজীব চন্দ্র দাশ (২৮), জামাল সরকার (৩৩), তারেক হোসেন (২৪), ইমরান হোসেন (৩০), আবুল কাসেম (২২), মহীন উদ্দিন (২৩), কাওসার আহমেদ (২২), রফিক গাজী (২১), ইসমাইল (২০), সাইফুল ইসলাম (২৬), সজীব শেখ (২০) এবং মোর্শেদ আলম (২৫)
- 📌 আদালতের নির্দেশে মিরপুর ও পল্লবী থানার পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তারা কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন
📰 বিস্তারিত
গত রোববার (১ নভেম্বর) মিরপুর এলাকায় পোশাকশ্রমিকরা ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। আন্দোলন মিরপুর ও পল্লবী এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের সময় পুলিশের ওপর হামলা, কর্তব্যকাজে বাধা, ট্রাফিক পুলিশ বক্স ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণ ও সরকারি গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে পাঁচটি মামলা করে। পরে ২৬ জনকে আটক করা হয় এবং তাদের তিন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়।
মিরপুর মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় ১৩ জন, বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় পল্লবী থানায় করা আরেকটি মামলায় সাতজন এবং মিরপুর মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় ছয়জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আদালতের শুনানিতে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম ও কামাল উদ্দীন পৃথক আদেশে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্ত কর্মকর্তারা বলেছেন, আসামিরা জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হতে পারেন এবং তদন্তে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়েছে।
"আদালতের নির্দেশে ২৬ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীদের মধ্যে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ছিলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার মিরপুর ও পল্লবী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম, কামাল উদ্দীন, পুলিশের ওপর হামলাকৃত ব্যক্তিরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ জন কারাগারে পাঠানো হয়েছে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!