📌 অপরাধী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে বাংলাদেশ-হংকং মিউচুয়াল লিগ্যাল এসিসটেন্স চুক্তি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে চুক্তিটি চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ অপরাধীদের সহজে ফিরিয়ে আনতে পারবে
বাংলাদেশ ও হংকং সরকারের মধ্যে অপরাধীদের ফেরত নেওয়ার পথ সুগম করার লক্ষ্যে মিউচুয়াল লিগ্যাল এসিসটেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট ইন ক্রিমিনাল মেটার্স চুক্তি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ অপরাধীদের নিজ নিজ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য আইনি সহায়তা প্রক্রিয়া সহজতর হবে। সোমবার (২ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই চুক্তির প্রস্তাব চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে বাংলাদেশ-হংকং মিউচুয়াল লিগ্যাল এসিসটেন্স চুক্তি অনুমোদিত হয়েছে
- 📌 এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের অপরাধী হংকংয়ে থাকলে এবং হংকংয়ের অপরাধী বাংলাদেশে থাকলে তাদের সহজে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে
- 📌 মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানান, এই চুক্তির মাধ্যমে আইনি সহায়তা চাওয়ার প্রক্রিয়া সহজতর হবে এবং সরকারি পর্যায়ে সহযোগিতা পাওয়া যাবে
- 📌 রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে এই চুক্তির ধারা কার্যকর হতে পারে না
- 📌 চুক্তিটি পরবর্তীতে জাতীয় সংসদে পাসের জন্য প্রস্তুত করা হবে
📰 বিস্তারিত
মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপিত এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো অপরাধীদের নিজ নিজ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং আইনি সহায়তা প্রক্রিয়া জোরদার করা। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি ব্রিফিংয়ে জানান, এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের কোনো নাগরিক হংকংয়ে অপরাধ করে আত্মগোপন করলে বা অবস্থান নিলে তাঁকে ফিরিয়ে আনার জন্য আইনি সহায়তা চাওয়া সহজ হবে। অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের ফিরিয়ে আনতে এই চুক্তির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের সহযোগিতা সহজতর হবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও জানান, এই চুক্তির মাধ্যমে পূর্বের মতো আইনজীবী নিয়োগের পর্যায়ে না গিয়ে সরাসরি সরকারি পর্যায়ে সহযোগিতা পাওয়া যাবে। একইভাবে হংকংয়ের কোনো অপরাধী বাংলাদেশে অবস্থান করলে তারাও একই প্রক্রিয়ায় ফেরত নেওয়ার সুবিধা পাবে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে বা রাজনৈতিক অপরাধের প্রেক্ষাপটে এই চুক্তির ধারা কার্যকর নাও হতে পারে।
এই চুক্তিটি পরবর্তীতে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের প্রয়োজনীয় ভেটিং সাপেক্ষে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে স্থায়ী আইনি রূপ পাবে।
"বাংলাদেশের কোনো নাগরিক হংকংয়ে অপরাধ করে আত্মগোপন করলে বা অবস্থান নিলে তাঁকে ফিরিয়ে আনার জন্য আইনি সহায়তা চাওয়া এখন আরও সহজ হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ, হংকং
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ নভেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!