📌 প্রথম আলো নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ। ভুক্তভোগী চৌধুরী মনিরুজ্জামান (৪৭)—নড়াইল, বগুড়া শাহজাহানপুরে চাকরি। ১৩ জুন মুঠোফোন হ্যাক, মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ নিয়ন্ত্রণ, স্যালারি অ্যাকাউন্ট থেকে ৩ লাখ টাকা। সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬ ধারা ১৭, ১৮, ২২, ২৭—৪ জন আসামি, আসিফ চার নম্বর। র্যাব-১৪ কোম্পানি কমান্ডার মেজর মীর ইশতিয়াক আমিন। হালুয়াঘাট বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রেপ্তার।
মুঠোফোনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে (হ্যাক) মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করে ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১৪। গ্রেপ্তার আসিফ আহমেদ ওরফে সায়েম (২৪)—হালুয়াঘাট উপজেলার গাজীরভিটা ইউনিয়নের শিমুলকুচি গ্রামের বাসিন্দা। ভুক্তভোগী চৌধুরী মনিরুজ্জামান (৪৭)—নড়াইল জেলার নড়াগাতি থানার রামপুর গ্রামের বাসিন্দা, চাকরির সুবাদে বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলায় থাকেন। গত ১৩ জুন তাঁর মুঠোফোন হ্যাক করে স্যালারি অ্যাকাউন্ট থেকে ৩ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়। সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ১৭, ১৮, ২২ ও ২৭ ধারায় চারজনকে আসামি করে মামলা—আসিফ চার নম্বর আসামি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- গ্রেপ্তার: আসিফ আহমেদ ওরফে সায়েম (২৪)—হালুয়াঘাট, গাজীরভিটা ইউনিয়ন, শিমুলকুচি গ্রাম; চার নম্বর আসামি।
- গ্রেপ্তারকারী: র্যাব-১৪—সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় হালুয়াঘাট বাসস্ট্যান্ড থেকে।
- ভুক্তভোগী: চৌধুরী মনিরুজ্জামান (৪৭)—নড়াইল, নড়াগাতি থানা, রামপুর গ্রাম; বগুড়ার শাহজাহানপুরে চাকরি।
- ঘটনা: ১৩ জুন—মুঠোফোন হ্যাক, মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ নিয়ন্ত্রণ, স্যালারি অ্যাকাউন্ট থেকে ৩ লাখ টাকা স্থানান্তর।
- মামলা: বগুড়ার শাহজাহানপুর থানা—সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ১৭, ১৮, ২২ ও ২৭ ধারা; ৪ জন আসামি।
- কোম্পানি কমান্ডার: মেজর মীর ইশতিয়াক আমিন—র্যাব-১৪ ময়মনসিংহ সদর কোম্পানি; তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত।
- হস্তান্তর: শাহজাহানপুর থানায় আইনগত ব্যবস্থার জন্য।
মুঠোফোন হ্যাক ও ৩ লাখ টাকা আত্মসাত
মুঠোফোনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে (হ্যাক) মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করে ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। গ্রেপ্তার আসিফ আহমেদ ওরফে সায়েম (২৪) হালুয়াঘাট উপজেলার গাজীরভিটা ইউনিয়নের শিমুলকুচি গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
র্যাব সূত্রে জানা যায়—নড়াইল জেলার নড়াগাতি থানার রামপুর গ্রামের বাসিন্দা চৌধুরী মনিরুজ্জামান (৪৭) চাকরির সুবাদে বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলায় থাকেন। গত ১৩ জুন তাঁর মুঠোফোন হ্যাক করে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়। পরে তাঁর স্যালারি অ্যাকাউন্ট থেকে তিন লাখ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়। এ ঘটনায় ওই দিনই বগুড়ার শাহজাহানপুর থানায় সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ১৭, ১৮, ২২ ও ২৭ ধারায় চারজনকে আসামি করে মামলা হয়। সেই মামলায় আসিফ আহমেদ চার নম্বর আসামি।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শনাক্তকরণ
মামলার তদন্ত কর্মকর্তার অনুরোধে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করা হয় বলে জানিয়েছেন র্যাব-১৪ ময়মনসিংহ সদর কোম্পানির কোম্পানি কমান্ডার মেজর মীর ইশতিয়াক আমিন। তিনি জানিয়েছেন—পরে অভিযান চালিয়ে আসিফকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শাহজাহানপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
'গত ১৩ জুন তাঁর মুঠোফোন হ্যাক করে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়। পরে তাঁর স্যালারি অ্যাকাউন্ট থেকে তিন লাখ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়।'—র্যাব-১৪ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!