📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চুয়াডাঙ্গা সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের ভুল চিকিৎসায় সিভিল সার্জনসহ তিনজনকে অভিযোগে জড়িত, দাবি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ

চুয়াডাঙ্গা সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের ভুল চিকিৎসায় সিভিল সার্জনসহ তিনজনকে অভিযোগে জড়িত, দাবি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর রোগীর পেটে সংক্রমণ ও পুনরায় অস্ত্রোপচারের ঘটনায় সিভিল সার্জনসহ তিনজনকে অভিযোগ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী দাবি করেছেন ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চিকিৎসা ব্যয়ে ক্লিনিক মালিক বাবলু ২০ হাজার টাকা ছাড়া বাকি অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানান

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে পুনরায় অস্ত্রোপচারের ঘটনায় সিভিল সার্জনসহ তিনজনকে অভিযোগ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী মো. সন্টু রহমানের দাবি, অস্ত্রোপচারের স্থান যথাযথভাবে পরিষ্কার না করায় সংক্রমণ ঘটে এবং ক্লিনিক মালিক বাবলু চিকিৎসা ব্যয়ের পুরো অর্থ ফেরত না দিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন হাদী জিয়া উদ্দীন আহমেদসহ আলমডাঙ্গার আব্দুল হামিদ মেমোরিয়াল হাসপাতালের মালিক বাবলু ও তার ছেলে আবিরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
  • 📌 গত ২০ আগস্ট সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর রোগী মোছা. চুমকি খাতুনের পেটে সংক্রমণ দেখা দেয় এবং গত ৪ সেপ্টেম্বর পুনরায় অস্ত্রোপচার হয়।
  • 📌 চিকিৎসা ব্যয়ের দাবি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা হলেও ক্লিনিক মালিক বাবলু মাত্র ২০ হাজার টাকা দিয়েছেন এবং বাকি অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানান।
  • 📌 সিভিল সার্জন বলেছেন, "অস্ত্রোপচারের পর জটিলতা দেখা দিতে পারে, কিন্তু মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে রোগীর অসুবিধা বিবেচনা করা উচিত।"
  • 📌 আলমডাঙ্গা থানার ওসি মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম জানান, বিষয়টি স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

📰 বিস্তারিত

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা থানায় গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ভুক্তভোগী মো. সন্টু রহমান লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২০ আগস্ট আলমডাঙ্গার আব্দুল হামিদ মেমোরিয়াল হাসপাতাল অ্যান্ড ক্লিনিকে চুমকি খাতুনের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করেন সিভিল সার্জন হাদী জিয়া উদ্দীন আহমেদ। তবে অস্ত্রোপচারের স্থান পরিষ্কার না করায় সংক্রমণ ঘটে এবং রোগীর শারীরিক অবস্থা অবনতির দিকে যেতে থাকে।

সন্টু রহমান জানান, গত ৪ সেপ্টেম্বর তাঁকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং ৬ সেপ্টেম্বর পুনরায় অস্ত্রোপচার করা হয়। এতে চিকিৎসা ব্যয়ে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি বলেন, ক্লিনিকের মালিক বাবলু চিকিৎসা ব্যয়ের পুরো অর্থ ফেরত দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কিন্তু পরে মাত্র ২০ হাজার টাকা দিয়েছেন এবং বাকি অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানান।

ক্লিনিক মালিক বাবলু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রক্ত জমাট বাঁধার কারণে জটিলতা হতে পারে। তিনি দাবি করেন, চিকিৎসা ব্যয় সর্বোচ্চ ৪৫ হাজার টাকা হতে পারে এবং রোগীপক্ষকে ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। তবে রোগীপক্ষ বাকি ১০ হাজার টাকা গ্রহণ করেনি।

"অস্ত্রোপচারের পর বিভিন্ন ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে। ওই রোগীর পেটের ভেতরে 'কালেকশন' থেকে অ্যাবসেসের মতো জটিলতা তৈরি হয়েছিল। পরে পুনরায় অস্ত্রোপচার করে তাঁকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।"

সিভিল সার্জন হাদী জিয়া উদ্দীন আহমেদ বলেন, প্রথমদিকে রোগী তাঁর কাছে আসার পর ক্লিনিকে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে রোগীপক্ষ ক্লিনিকে না থেকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চলে যায়। তিনি আরও বলেন, কোনো অস্ত্রোপচারই শতভাগ জটিলতামুক্ত হবে এমন নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়। তবে কোনো রোগীর অসুবিধা হলে বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা উচিত।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সন্টু রহমান, সিভিল সার্জন হাদী জিয়া উদ্দীন আহমেদ, ক্লিনিক মালিক বাবলু, ওসি মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ আগস্ট (অস্ত্রোপচার), ৪ সেপ্টেম্বর (পুনরায় ভর্তি), ৬ সেপ্টেম্বর (পুনরায় অস্ত্রোপচার), ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা (চিকিৎসা ব্যয়), ২০ হাজার টাকা (ক্লিনিক মালিক প্রদত্ত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖