📌 মানিকগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চাকরি দেওয়ার কথা বলে এনসিপি নেতা আরিফুল ইসলাম এক যুবকের কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন। ভুক্তভোগী তমাল অভিযোগ করেছেন এবং থানায় লিখিত মামলা দায়ের করেছেন।
মানিকগঞ্জের একটি এনসিপি নেতা চাকরি দেওয়ার কথা বলে আড়াই লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ভুক্তভোগী তরুণ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। মানিকগঞ্জ সদর থানায় এই অভিযোগের তদন্ত চলছে। অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম এনসিপির জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে আড়াই লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ভুক্তভোগী তরুণ তমাল লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন
- 📌 অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম এনসিপির মানিকগঞ্জ জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক
- 📌 অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে টাকা নেওয়া হয়েছিল
- 📌 অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং মানহানি মামলা দায়ের করেছেন
- 📌 হাসপাতালের আউটসোর্সিং ব্যবস্থাপক নাসিম হাওলাদার বলেছেন, কোনো নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়নি
📰 বিস্তারিত
মানিকগঞ্জ সদর থানায় ভুক্তভোগী তরুণ মো. তমালের লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, মানিকগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আউটসোর্সিংয়ে সুপারভাইজার পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আরিফুল ইসলাম তমালের কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা জামানত হিসেবে নেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর এস এফ ট্রেড লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের প্যাডে তমালকে একটি নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছিল। তবে হাসপাতালে যোগদান করার সময় জানতে পারেন যে, ওই নিয়োগপত্রটি ভুয়া ছিল।
তমাল টাকা ফেরত চাইলে আরিফুল ইসলাম বিভিন্ন অজুহাতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে সময় কাটিয়ে দিতেন। শেষ পর্যন্ত চাকরি দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানানো হয়। গত শনিবার মুঠোফোনে আরিফুলের কাছে টাকা ফেরত চাইলে তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। তখন আরিফুল তমালকে গালিগালাজ ও হুমকি দেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তমাল প্রথম আলোকে বলেন, তিনি আরিফুলের পরিচয় পান একজন পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে। সেই সুবাদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে একটি ফাস্ট ফুডের দোকানে বসে আরিফুলকে আড়াই লাখ টাকা দেন। এ বিষয়ে কথা হয় মানিকগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আউটসোর্সিং ব্যবস্থাপক নাসিম হাওলাদারের সঙ্গে। তিনি জানান, আউটসোর্সিংয়ে নতুন কোনো লোকবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি। আগের লোকবল দিয়েই কাজ চলছে। আরিফুল ইসলামের সঙ্গে তাঁদের প্রতিষ্ঠানের কোনো সম্পর্ক নেই বলে নাসিম হাওলাদার দাবি করেন।
"আমি আরিফুলের সঙ্গে পরিচয় পেয়েছিলাম একজন পরিচিতের মাধ্যমে। তিনি চাকরি দেওয়ার কথা বলে আড়াই লাখ টাকা দিয়েছিলাম। পরে জানতে পারলাম, ওই নিয়োগপত্র ভুয়া ছিল।"
অভিযোগের বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্তের জন্য প্রক্রিয়া চলছে। আরিফুল ইসলাম আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন। তিনি আরও জানান, গতকাল সোমবার তিনি মানিকগঞ্জ সদর থানা আমলি আদালতে মানহানির মামলা করেছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মানিকগঞ্জ সদর, মানিকগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. তমাল (ভুক্তভোগী), আরিফুল ইসলাম (এনসিপি নেতা), নাসিম হাওলাদার (ব্যবস্থাপক), মো. মনির হোসেন (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, আড়াই লাখ টাকা (২ লাখ ৫০ হাজার), ২৭ নভেম্বর ২০২৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!